1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

চাঁদাবাজির মামলায় প্রতারক সিকদার লিটনের জামিন আবেদন নাকচ

বিডি টাইমস ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশে সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৩ বার পঠিত

চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় বহুরুপী প্রতারক ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুর হোসেন বুলবুলের পিএস সিকদার লিটনের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার দুপুরে জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ফরিদপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন সুলতানা সুমি।
আদালত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৎকালীন এমপির ছত্রছায়ায় নানা অপকর্মে জড়িত ছিল সিকদার লিটন। তার বিরুদ্ধে ঢাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে একাধিক হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে। এছাড়া শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে করা বিস্ফোরক ও নাশকতার মামলার এজাহারনামীয় আসামি সে।
২০২০ সালে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সিকদার লিটনকে ভাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে আবারও প্রতারণামূলক মিথ্যা মামলা বাণিজ্য শুরু করে সিকদার লিটন। সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ অনেকের নামে মিথ্যা মামলা দেয় সে।

এর আগে চলতি বছরের ৫ মে ঢাকার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় ফরিদপুর থেকে ডিবি পুলিশ সিকদার লিটনকে গ্রেপ্তার করে।
সিকদার লিটন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের প্রতারণা করে আসছিল। মামলা বাণিজ্যে পারদর্শী লিটনের বিরুদ্ধে মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার বিকাশে তিন মাসে সাড়ে ২২ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে।
পাঁচ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন কারাগারে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান জাবেদ নামে এক যুবক। নিহতের পরিবারের সঙ্গে লিটনের কোনো সম্পর্ক না থাকলেও খালাতো ভাই দাবি করে কেরানীগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করে সিকদার লিটন।
এই মামলায় আসামি করার ভয় দেখিয়ে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সে। ঘটনা জানাজানি হলে নিহত জাবেদের ভাই মাইনুদ্দীন ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

আরও যত অভিযোগ সিকদার লিটনের বিরুদ্ধে:

কারা হেফাজতে তথাকথিত নির্যাতনের শিকার এমন ভুয়া অভিযোগে পুলিশসহ বহু কারা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করে সিকদার লিটন। এর আগে মামলায় নাম দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে অর্থ আদায় ছিল তার প্রধান উদ্দেশ্য। মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রী, নেতার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার এবং ঢালাওভাবে কারারক্ষীদের আসামী করে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে সিকদার লিটন চাঁদাবাজি মামলা করে ফরিদপুরের ডাচ বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তা জামাল আবু নাসের ও আব্দুল আজিজের নামে। এটিও মূলত পাতানো সাজানো মামলা। একইভাবে আরেকটি চাঁদবাজির ভুয়া অভিযোগে ফরিদপুরের আদালতে মামলার আবেদন করেছে এই প্রতারক, যেখানে ফরিদপুর-১ নির্বাচনী এলাকার পরস্পরবিরোধী একাধিক নেতার নাম দিয়েছে।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার চরডাঙ্গা গ্রামের সিদ্দিক সিকদারের ছেলে সিকদার লিটন স্থানীয় লোকজনের কাছে প্রতারক ও ছদ্মবেশী অপরাধী হিসেবে পরিচিত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের- দুদক চার্জশিটভুক্ত মামলার আসামি সিকদার লিটন। পাবনায় একজন ব্যবসায়ীর করা প্রতারণার মামলায় ‘অর্থ হাতিয়ে’ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি।

দুদক বলছে, বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম, দালালি, প্রতারণা এবং মানুষকে ঠকিয়ে টাকা নেয়াই ছিল লিটনের মূল কাজ। এভাবে অনেকের সঙ্গেই তিনি প্রতারণা করেছেন। বর্তমানে দুদকের মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এমন কোনো অপরাধ নেই, যার সঙ্গে জড়িত নয় সিকদার লিটন। নিজের শ্বশুর জাপান মুন্সির নামেও পাঁচটি মামলা করেছিলো সে। কিছু অসৎ রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে লিটন একের পর এক অপরাধ কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চালিয়েছে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেওয়ার নাম করেও হাতিয়েছে লাখ লাখ টাকা।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর