
যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে কৃতি সন্তান সাাবেক ছাত্রদলের তুঁখোড় ছাএনেতা ও জাতীয়বাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মরহুম জামাল উদ্দিন খান শাহিনের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া এবং মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১১ই অক্টোবর শনিবার বিকেল পাঁচ ঘটিকার সময় মাতুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অনুস্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-০৫ আসনের সম্ভাব্য বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব নবীউল্লাহ নবী আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফেরদৌস আহমেদ রনি, যাত্রাবাড়ী থানা যুবদলের সভাপতি প্রার্থী সাবেক ছাএনেতা মনজুরুল আলম খান রানা, ডিএসসিসি ৬৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক শাহআলম মুন্সী, যুগ্ন-আহব্বায়ক শফিক খান,যুগ্ন-আহবায়ক শফিউল্লাহ রাজু,যাএাবাড়ী থানা সাবেক যুবদলের সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ মিন্টু,ডিএসসিসি ৬৫ নং ওর্য়াড যুবদল নেতা শিরকু,ডেমরা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদ-প্রার্থী আশফাক উদ্দিন আরিফ, মরহুম জামাল উদ্দিন খান শাহিনের জামাতা মাতুয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মীর।
আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী তার বক্তব্যে বলেন, মরহুম জামাল উদ্দিন খান শাহিন আমার কাছে ছিল সন্তানের মত, আমি কোনদিন তাকে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দেখি নাই, আজ বেঁচে থাকলে সে ঢাকা মহানগরে নেতৃত্ব দিতো। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো মরহুম জামাল উদ্দিন খান শাহীনকে ততদিন স্মরণ করব। স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতন আন্দোলনে রাজপথে সর্বদাই সাহসী ভুমিকায় পালন করেছে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার বিএনপি দমনের জন্য অনেক বার আমাকে ও জামাল উদ্দিন শাহিনকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
বাংলাদেশের বহু স্থানে আমিও জামাল উদ্দিন খান শাহিন পালিয়ে বেরিয়েছি। আমি যদি ভবিষ্যতে এমপি হতে পারি জামাল উদ্দিন খান শাহিন এর পরিবারের একজনকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। তিনি জামাল উদ্দিন খান শাহিনের এর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোক সন্তোষ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনায় প্রকাশ করেন।