1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

জুলাই বিপ্লবে আহত ছাত্রের মামলা করায় পরিবারের উপর আসামিদের হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর:
  • প্রকাশে সময় : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৯৯ বার পঠিত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলাকারী ও তাদের ইন্দনদাতা আসামীরা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিত অপপ্রচার, বাদীপক্ষকে হুমকি ও গভীর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ফ্যাসিবাদীদের হামলায় অন্ধত্ববরণকারী দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুনের পরিবার ও তার আইনজীবী।

রবিবার বিকেলে টঙ্গী চেরাগআলী এলাকার ফ্রেন্ডস থাই এন্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টের হল রুমে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আহত আব্দুল্লাহ আল মামুনের পিতা আহসান উল্লার পক্ষে তার আইনজীবী এড.জিয়াউল হাসান স্বপন (জিএস স্বপন) লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। বক্তব্যে আইনজীবী স্বপন বলেন, টঙ্গী সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মোধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন গত ৪ আগস্ট উত্তরা বিএনএস টাওয়ারের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনে যোগ দেন।

এসময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাকর্মীরা এবং ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যান্য দোসররা ছাত্রদের ওপর চারদিক থেকে আক্রমন চালায়। এতে আব্দুল্লাহ আল মামুন চোখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুলিবিদ্ধ হন। তাকে প্রথমে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলায় অন্ধত্ববরণকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আব্দুল্লাহ ভবিষ্যতে আমাদের মাঝে হয়তো ফিরে আসলেও সে আর পৃথিবীর আলো দেখতে পারবে না, আজীবন পরিবারের বোঝা হয়ে থাকবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণতান্ত্রিক মিছিলে হামলাকারী, উস্কানিদাতা, মদদদাতা তথা ফ্যাসিবাদের দোসরদের ব্যাপারে আমাদের চেয়ে অবশ্যই আপনারা বেশি অবগত। আওয়ামী লীগ ও এর প্রত্যেকটি অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা এবং তাদের পরিবারের প্রত্যেকটি সক্ষম সদস্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর সর্বাত্মাভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আওয়ামী লীগ পরিবারের কিশোর ছাত্র- অছাত্ররাও চিহ্নিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদ সরকারের সৈনিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল।

গত ৪ আগস্ট উত্তরা বিএনএস টাওয়ারের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিলে অংশগ্রহনকারী মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর হামলাকারী ও ইন্দনদাতাদের ব্যাপারে যথা সম্ভব তথ্য সংগ্রহ করেই আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করি। ওই দিনের হামলায় আওয়ামী পরিবারের একাধিক কিশোর সদস্যও অংশ নিয়েছিল। আমরা তাদের মধ্যে একজন কিশোরের নাম-পরিচয় সনাক্ত করে মামলার এজাহারে উল্লেখ করি। ওই কিশোরকে তার বাবার (আওয়ামী লীগ নেতা) সাথে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দেখেছেন এমন একাধিক সাক্ষীও আছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ওই কিশোরকে মামলায় আসামী করার অজুহাতে অন্যান্য আসামীরা মামলাটিকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে এবং বাদীপক্ষকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।

এমনকি বাদীপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবীকে নিয়েও ফ্যাসিবাদের দোসররা পরিকল্পিত অপপ্রচারে নেমেছে। মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল-মামুনসহ ছাত্র-জনতার রক্তের দাগ মূছতে না মুছতেই ফ্যাসিবাদের দোসররা একের পর এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মামলায় একজন কিশোর অপরাধীকে আসামী করায় তারা জনমনে সহানুভূতি সৃষ্টির নানা অপকৌশল নিয়েছে। অথচ একজন মেধাবী ছাত্র অন্ধত্ববরণ করলেও এব্যাপারে তাদের কোন আপসোস বা ভ্রুক্ষেপ নেই। বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের সময় কবরবাসী মৃতব্যক্তি, হাসপাতালে ভর্তি গুরুতর রোগী ও বিদেশে অবস্থানরত বিরোধী দল ও ভিন্ন মতের অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে বহু মিথ্যা মামলা হলেও তখন আমাদের দেশের অধিকাংশ মিডিয়া চুপ ছিল।

এখন আমাদের ভুল ধরার জন্য মিডিয়ার অভাব নেই। হয়তো আমাদের মামলার এজাহারে বর্ণিত ২০৩ জন আসামীর মধ্যে তথ্যগত ভুলের কারণে কারোর নাম আসতেই পারে। স্বাক্ষ্য-প্রমাণ বা তদন্তেই ঘটনায় আসামীদের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হবে। কিন্তু দু’একটি নাম নিয়ে পরিকল্পিত বিতর্ক সৃষ্টি করে পুরো মামলাটিকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য আসামীদের সাম্প্রতিক অপতৎপরতা খুবই রহস্যজনক।

এই অপপ্রচারের মূল হোতা গাজীপুর জেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি, টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ ফ্যাসিবাদের দোসর আলাউদ্দিন মিয়াসহ মামলার আলোচিত কিশোর আসামীকে গ্রেফতার করে কিশোর সংশোধনীতে প্রেরণসহ অন্যান্য আসামীদেরও গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। আমি বিচারের জন্য মামলা করলে স্থানীয় আওয়ামীলীগের ফ্যাসিবাদীদের দূসররা আমাকে এবং আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমি আমার ছেলের উপর হামলার বিচার চাই এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর