1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

জানা-অজানা

আহসান হাবিবঃ
  • প্রকাশে সময় : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৯০ বার পঠিত

‘ব্যাঙের ছাতা’ হলো মাশরুম বা একধরনের ছত্রাক শৈশবে আমরা অনেক মজার মজার জিনিস দেখি, যার আসল রহস্য বড় হয়ে জানতে পারি। ঠিক যেমন ছোটবেলায় নানুবাড়ি বেড়াতে গিয়ে এক আজব ছাতা দেখেছিলাম। আজব কেন, বলছি। বৃষ্টির সময়ে মানুষ ছাতা ব্যবহার করে জানি। তাই বলে ব্যাঙও বুঝি ছাতা ব্যবহার করে? ভারী আশ্চর্যের বিষয় তো! কল্পনায় ব্যাঙের মাথার ওপর ছোট্ট একটি ছাতা দেখে অনেক মজা পেতাম। পরে জানতে পারলাম, আসলে ‘ব্যাঙের ছাতা’ হলো মাশরুম বা একধরনের ছত্রাক।

অ্যাগারিকাস নামের বহুবর্ষজীবী ছত্রাকটি প্রকৃতির এক অদ্ভুত সৃষ্টি, যা আমরা ব্যাঙের ছাতা বা মাশরুম নামে চিনি। এর ছাতার আকৃতির চওড়া টুপি থাকে, আর সেই টুপির নিচে থাকে শক্ত, লম্বা এক ডাঁটা। যাকে বলে ফ্রুট বডি। তবে এই ছাতার মূল অংশ মাটির নিচে বেশ খানিকটা জায়গাজুড়ে ছড়িয়ে থাকে। এমনকি এই মূল অংশ অন্যান্য ব্যাঙের ছাতার সঙ্গে অন্তর্জালের মাধ্যমে যুক্ত থাকে। একে অপরের খবর নেয়, যোগাযোগ করে!

ব্যাঙের ছাতা নানা রঙে দেখা যায়। যেমন সাদা, হলুদ, লাল বা বাদামি। রঙের কারণে এগুলো আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
কেন একে ব্যাঙের ছাতা বলা হয়: মাশরুমকে ব্যাঙের ছাতা বলার কারণ, এটি সাধারণত ভেজা পরিবেশে বা বর্ষাকালে মাটিতে জš§ায়। একই সময় চারপাশে বেশি ব্যাঙ দেখা যায়। আর দেখতে অনেকটা ছোট্ট ছাতার মতো হওয়ায় এর নাম হয়ে গেছে ব্যাঙের ছাতা।

মাশরুমের ব্যবহার ও গুণাবলি: অনেক প্রজাতির মাশরুম আমাদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহƒত হয়। এতে থাকে অনেক অনেক পুষ্টি উপাদান। খেতে সুস্বাদু। এই খাবার মাংসের মতো আমিষও না, আবার সবজির মতো নিরামিষও না। এর অবস্থান দুটোর মাঝামাঝি; এতে থাকে প্রোটিন, শর্করা, মূল্যবান লবণ ও নানা ভিটামিন।

এসব উপাদান থাকায় ও কম ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় ব্যাঙের ছাতা হƒদ্রোগীদের জন্য একটি চমৎকার পথ্য। তবে কিছু মাশরুম খাওয়ার উপযোগী হলেও কিছু আছে এমন বিপজ্জনক, ভুলে খেয়ে ফেললে একবারে অক্কা পাওয়ার দশা হবে। বাংলাদেশে আছে প্রায় ২০ প্রজাতির মাশরুম। এর মধ্যে পাঁচ-ছয়টি বিষাক্ত। একটি বিষাক্ত মাশরুম প্রাণ কেড়ে নিতে যথেষ্ট। তাই, প্রকৃতির এই মজাদার ‘ছাতা’ চেনার ক্ষেত্রে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর