1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ঘনিস্ঠজন প্রকৌশলী ইলিয়াস আহমেদের যত অপকর্ম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশে সময় : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১০২ বার পঠিত

স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আত্ম স্বীকৃত ল্যাস্পেন্সার গণপুর্ত অধিদপ্তরে সার্কেল ১ এর তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইলিয়াস আহমেদের নেপথ্য কাহিনী কথা। তাকে গণপুর্ত অধিদপ্তরের স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিতর্কি বহুল আলোচিত ডিবি পুলিশের প্রধান হারুন অর রশিদ হারুন ওরফে হাউন আঙ্কেল বলা হয়ে থাকে।

তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী সরকারের পূরোটা সময় গনপুর্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইলিয়াস লেঁজুড় বৃত্তি করে প্রাইজ পোস্টিং বাগিয়ে নিয়েছেন। টেন্ডার বানিজ্যে, বদলী বানিজ্য, নামে বেনামে ঠিকাদারি ব্যবসা করে কয়েকশত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। টাকা পাচার করেছেন বিদেশেও, তবু যেন তার মন ভরেনা।

২০২০ সালে আনিসুজ্জামান ইমন নামে গণপূর্তের আরেক প্রকৌশলী নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে জনতার কাছে প্রশ্ন ছুঁড়ে ছিলেন,” ছাত্র লীগ করে সরকারী চাকুরিতে প্রবেশ করাই কি আজন্ম পাপ?” সেই পোস্টের মন্তব্য করতে গিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইলিয়াস আহমেদ নিজেকে আওয়ামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দাবী করেন। তিনি আরও বলেন আদর্শ বিচ্যুত হন না বলেই নাকি উপর মহল তাদের (সাবেক ছাত্রলীগ)কে ভালো কর্মকর্তার স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু সত্যি কি তাই? চলুন দেখে নেয়া যাক আওয়ামী স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে ইলিয়াসের পোস্টিং গুলো কোথায় কোথায় ছিলো।

বিগত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই ইলিয়াস আহমেদ নারায়নগঞ্জ থেকে বদলী হয়ে নগর গণপূর্ত বিভাগের রমনা জোন-০১ উপ-বিভাগে বদলী হয়ে আসেন। গণপূর্ত অধিদপ্তর সম্পর্কে যারা খোঁজ খবর রাখেন তাদের কারোই অজানা নয় যে এই ইলিয়াস আহমেদের পোস্টিং টি কত গুরুত্বপূর্ন! প্রতি ব্যাচ থেকে একজনও এই স্বপ্নের পোস্টিং পাবেন কিনা ঠিক নেই। তিনি তৎকালীন পূর্ত প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মান্নান খানের ডান হাত খ্যাত ইকবাল কে কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে রমনা জোনে-১ এর এস ডি ই পদ মর্যাদা বনে যান। নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে প্রথমেই মহাখালী গনপূর্ত বিভাগে পোষ্টিং বাগিয়ে নেন।

সেখান থেকে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ মন্ত্রী হলে ঢাকা ডিভিশন জোন-২ এর পোস্টিং বাগিয়ে নেন। তৎকালীন গণপূর্ত মন্ত্রীর এপিএস নুর খান এর সাথে ব্যাপক সখ্যতা গড়ে তুলেন এবং কয়েক কোটি টাকার বিনিময়ে সেই পোস্টিং বাগিয়ে নেন। ডিভিশন জোন- ২ এ ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে বিশাল বকেয়া করায় তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সী তাকে দূর্নীতির দায়ে ঢাকা পার্শ্ববর্তী জেলা নড়াইলে শাস্তি মূলক বদলী করেন। এতে ইলিয়াস আহমেদ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং ঢাকা শহরের মাফিয়া আলোচিত সমালোচিত আওয়ামী যুবলীগ নেতা সম্রাট এর সহায়তায় টেন্ডার বানিজ্যের মুল হোতা গোলাম কিবরিয়া (জি কে ) শামীমের সঙ্গে আরেক টেণ্ডার মাফিয়া মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে প্রধান প্রকৌশলী করার মিশনে নামেন।

এ কাজে তিনি সফল হলে রফিক তাকে কৃতজ্ঞতা সরুপ আবারও ঢাকা ডিভিশন জোন- ২ তে নিয়ে আসেন। এসময় আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত গুপ্তচর ও স্বৈরাচার প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের তৎকালীন ডিজি অ্যাডমিন কবির বিন আনোয়ারের সাথে ইলিয়াস নিবির সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগে আবাসিক ভবন নির্মানে কয়েক হাজার কোটি টাকার কাজ আসলে তিনি সেখানে বদলী হন। আজিমপুর ডিভিশনে তিনি টানা ছয় বছর থেকে তিনটি ফেসে প্রকল্পের টেন্ডার বানিজ্যের একক নিয়ন্ত্রন হাতিয়ে কয়েক কোটি টাকা। স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদী হাসিনার নিজ জেলার সন্তান হিসেবে একাধীক্রমে তিনবার করে মোট পাঁচ বছর চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ পএ গনপুর্ত সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকারের ডান হাত ছিলেন ইলিয়াস।

এদিকে শহীদুল্লাহ নিজেও দুর্নীতিবাজ বিধায় আরেক দুর্নীতিবাজ ইলিয়াস কে পছন্দ করতেন। শহীদুল্লাহ খন্দকারের ছেলের বিয়েতে সমস্ত খরচ ইলিয়াস বহন করেছেন মর্মে জনশ্রুতি রয়েছে। এজন্য ভরা মাহফিলে শহীদুল্লাহ ইলিয়াসের প্রশংসা করেছেন। এ সময় তার বিরুদ্ধে মূল ধারার একাধিক গনমাধ্যমে ধারাবাহিক দুর্ণীতির অভিযোগ আসলেও রাজনৈতিক যোগাযোগের কারনে তিনি সব ম্যানেজ করে ফেলতে পারতেন। দুদকে মোজাম্মেল থাকার তিনি সহ ক্যাসিনো কান্ডে নাম আসা ছয় প্রকৌশলী বিপুল অর্থের বিনিময়ে দায় মুক্তি নিয়ে নিয়েছিলেন। দুদুকের কাছে ইলিয়াস আহমেদ সবচেয়ে প্রিয় কর্মকর্তা। এত কিছুর পরেও এই ছাত্রলীগ ক্যাডারের মন ভরে নি তখনও।
দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার উপযুক্ত বিচার দাবি জানিয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর