
পাবনার সাঁথিয়া প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নির্যাতিত গৃহবধু আইরিন খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে গৃহবধু জানান, উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মৃত উসমান গনীর ছেলে শহিদুর (৪০) এর সাথে ২০১৫ সালে ৫ লক্ষ টাকা দেনমহনে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা সুখে শান্তিতে সংসার করছিল। একপর্যায়ে স্বামী শহিদুল ইসলাম পরকিয়ায় প্রেমে আসক্ত হন ও দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন শুরু হয গৃহবধু আইরিনের সাথে। নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্দি পেলে পিতা মাতাহীন অসহায় গৃহবধু বাদী হয়ে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মামরা করেন। যার নং ৭। মামরায় াাসামী করা হয় ৬ জন কে। মামলায় প্রদান আসামী গ্রেফতার হলে সর্ত সাপেক্ষে জামিন করেন প্রথম স্ত্রী আইরিন খাতুন। জামিনে এসে স্বামী শহিদুর ইসলাম স্ত্রী আইরিনকে মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এক বছর ধরে স্ত্রীর খোজ খবরসহ বরন পোষন করছেন না। নির্যাতিত গৃহবধুর দাবী বাড়ি না থাকায় শহিদুল ও তার পরিবার বাসা থেকে নগদ টাকা, স্বণালংকার ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
গত ২০ অক্টোবর আইরিন স্বামীর বাড়িতে আসলে তাকে মারপিট তরা হয় ও স্বামীর পরিবারের সদস্যরা মামলা তুলে নেবার জন্য প্রাণ নামের হুমকী প্রদান করেন।সংবাদ সমেলনের মাধ্যমে গৃহবধু আইরিন তার স্বামী ও স্বামীর পরিবারের সদসদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি কামনা করেন।