
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার গুলশানপাড়ার একটি ভাড়া বাড়ী থেকে তানিয়া খাতুন (২২) নামের এক তরুণীর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ি দেয়া ঝলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে চুয়াডাঙ্গার গুলশানপাড়ার সেলিম মিয়ার বাড়ীর তৃতীয়তলা থেকে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে স্থানীয়রা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত সদর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক আরাফাত ইসলাম বলেন,এদিন রাত ১০টার পর তানিয়া খাতুনকে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহের ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ভাড়াটিয়ারা জানায়, মৃত তানিয়া খাতুন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের ঝোড়াঘাটা গ্রামের মাহাতাব আলীর মেয়ে এবং দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের স্বর্ণকার আলামিনের স্ত্রী। স্বামী আলামিনকে নিয়ে তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের গুলশানপাড়ার সেলিম মিয়ার তৃতীয় তলার ভাড়া বাড়ীতে থাকতেন। তাওহীদ ইসলাম নামে ৬ বছর বয়সী তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তানিয়া খাতুন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল এলাকায় আখিঁতারা জেনারেল হাসপাতালে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আয়ার কাজ করতেন। সে অত্যান্ত বদ মেজাজী ছিলেন বলে তার সহকর্মী ও বাড়ির অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা জানিয়েছেন। বদ মেজাজই তার আত্মহত্যার মূল কারন বলে জানিয়েছেন তারা।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক আল ইমরান জুয়েল বলেন, তানিয়া খাতুনকে মৃত অবস্থায় আমরা পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে সে নিজেই আত্মহত্যা করেছে। কোন সন্দেহজনক মৃত মনে হয়নি। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে নেয়া হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) হোসেন আলী বলেন, একজন নারী আত্মহত্যা করেছেন বলে জেনেছি। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে জানা যাবে মৃত্যুর কারন। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।