1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

যাত্রাবাড়ীতে ২৫ শহীদের পরিবারকে জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের আর্থিক অনুদান।

শরীফ আহমেদ প্রতিবেদনঃ
  • প্রকাশে সময় : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৮৩ বার পঠিত

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ২৫ জনের পরিবারকে সর্বমোট ৫০ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শনির আখড়ায় জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের যাত্রাবাড়ী ইউনিট আয়োজিত অনুষ্ঠানে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যদের কষ্ট ও কলিজা ছেঁড়া আর্তনাদে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। রাষ্ট্রীয় সব শক্তি কাজে লাগিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট অপশক্তি ছাত্র-জনতার আন্দোলন ব্যর্থ করে দিতে চেয়েছিল। ইতিহাস সাক্ষী ছাত্রদের আন্দোলন কখনো ব্যর্থ হয়নি।

তিনি বলেন, বিপ্লবোত্তর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ৫ আগস্ট থেকেই দুর্বৃত্তদের লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ এবং ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় সহ দেশের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছেন।জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির বলেন, ছাত্র-জনতার এই ঐতিহাসিক বিজয়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করলে এর দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে। এ দেশের জনগণ এখন সজাগ ও সচেতন রয়েছে, কোনো কুচক্রী মহলের কোনো দেশবিরোধী এজেন্ডা আর বাস্তবায়ন করতে দেবে না।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আব্দুস সবুর ফকির বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশের সব মানুষ অংশগ্রহণ করেছে এবং অনেকে শহীদ হয়েছেন। মা-বোনেরা ঘরে বসে থাকতে পারেননি। তারা আন্দোলনকারীদের খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় দেশে জুলুমতন্ত্রের অবসান হয়েছে।

অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, এই জাতিকে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে জুলুম এবং শোষণ করে একটা শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশে রাখা হয়েছিল। মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল না, জীবনের নিরাপত্তা ছিল না, নিজ ঘরের মধ্যে থাকলেও খুন করা হতো। এমন অবস্থায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা আবার নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ড. মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা সদস্য আব্দুর রহিম জীবন। আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা সাদেক বিল্লাহ, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, শাজাহান খান, মীর বাহার আমিররুল ইসলাম, জুনায়েদ ইসলাম, মাওলানা বায়জিদ হাসান, আবুল হোসেন, নওশাদ আলম ফারুক, মিজানুর রহমান মালেক, অ্যাডভোকেট শাফিউল আলম, আহমেদ রাসেল, মির্জা হেলাল, ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আমান উদ্দিন আমিন প্রমুখ।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর