
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুরে আকবার ডাক্তারের বাড়িতে হামলা- লুটপাট করে ঘরে তালা মেরে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে একই এলাকার ইউনুস গং।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ৫ আগষ্ট চলমান পরিস্থিতি ভিত্তি করে ৬ আগষ্ট সকাল ৯ টায় কাশিনাথপুর মরিচ পুরান গ্রামের মৃত্যু রহমত মোল্লার ছেলে ইউনুস মোল্লার নেতৃত্বে আকাশ,মিন্টু, সন্টু,রাসেল, শামসুল, ইমরানসহ বেশ কয়েকজন বিএনপি-যুবদলের নেতা কর্মীরা কাশিনাথপুর মাষ্টার পাড়া আকবার ডাক্তারের বাড়িতে ঢুকে হামলা- লুটপাট করে ঘরে তালা মেরে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। তারা নগদ পাঁচ লাখ টাকা, ১০ ভরি স্বর্নের গহনাসহ অনেক কিছু লুটে নিয়ে গেছে।তারা ভুক্তোভোগি পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছে।
ডাক্তার আকবার বলেন, আমি প্রায় ১৫ বছর সাড়ে ৮ শতাংশ জায়গা কিনে বাড়ি করে বসবাস করতেছি।তারা আমার কাছে মাঝেমধ্যেই টাকা চাইতো। হটাৎ ৬ আগষ্ট সকালে আমার বাড়িতে ঢুকে আমাকে, আমার স্ত্রী এবং অসুস্থ মেয়েকে মারপিট করে ঘরের সব কিছু লুটপাট করে নিয়ে ঘরে তালা দিয়ে রাখছে।এখন আমার পরিবার নিয়ে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরতেছি।
সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, এখন থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আ,লীগের সাথে মিশে থাকা আলমাস বাহিনী ৫ আগস্ট সোমবার রাত ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের চারজন নেতাকর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়াসহ চাঁদা দাবি করে। সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলো হলো কাশিনাথপুরের লালি পর্বত গ্রামের নাসের খানের ছেলে মো: রবি খানের বাড়ি। তার বাড়িতেও ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। ছাতক বরাট গ্রামের রায়হানের বাড়িতে ভাংচুর করে ও তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আলমাস বাহিনী।
এছাড়াও ছাতকবরাট গ্রামের মৃত রউফ শেখের ছেলে ও যুবলীগ নেতা শেখ রাসেলের বাড়িতেও মামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা এসময়
রাসেলের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ সময় আলমাস বাহিনীর সন্ত্রাসীরা বাড়িতে থাকা টিনের চারপাশের বেড়া ভাঙচুর করে এবং টিনের গেট ভেঙে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে টিনের ঘর ভাঙচুর চালায় এবং বিল্ডিং এর জানালা দরজা ভাঙচুর করে টিনের ঘর থেকে মাছের ফিডের ২০ টি বস্তা লুট করে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে গ্রামে থাকতে দেবে না বলে হুমকী দেয়।
ওই রাতে একই সাথেকাবারিকোলা গ্রামের মজিদ খানের ছেলে মো: খোকন খানের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় আলমাস বাহিনীর সন্ত্রাসীরা টিনের ঘর ও ফ্রিজ, টেলিভিশন ভাঙচুর করে থাকে।