
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা যৌথ সাধারণ সম্পাদক ও ঐতিহাসিক রাজনীতির সাক্ষী মিজানুর রহমান চৌধুরীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এএএম সালেহ শিবলী বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) জানান, এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়াত এ রাজনীতিবিদের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, “মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯৮১ সালের ২৯ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে চট্টগ্রাম সফরে গিয়েছিলেন এবং তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মহিবুল হাসানের সঙ্গে সার্কিট হাউসের এক নম্বর কক্ষে তাঁর সঙ্গেই অবস্থান করছিলেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর অত্যন্ত যত্ন সহকারে তাঁর মরদেহ একখণ্ড কাপড়ে জড়িয়েছিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী।” প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, গত বুধবার ভোরে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৩ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মিজানুর রহমান চৌধুরী। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই সন্তান ও পাঁচ নাতি-নাতনিসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার গুলশানের আজাদ মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।