1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

জ্বালানি সংকটে অচল চুলা, উৎপাদনে ধস শিল্পকারখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশে সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১০ বার পঠিত

রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের তীব্র সংকট জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। আবাসিক গ্রাহক, সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং শিল্পকারখানা সবখানেই গ্যাসের স্বল্পচাপে তৈরি হয়েছে চরম দুর্ভোগ।

বাসাবাড়িতে দিনের অধিকাংশ সময় চুলায় গ্যাস না থাকায় রান্না করতে হিমশিম খাচ্ছেন মানুষ। একই সঙ্গে গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে শিল্পকারখানা, আর দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও গ্যাস পাচ্ছেন না সিএনজিচালিত যানবাহনের চালকেরা।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, রামপুরা, বাড্ডা, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী, পুরান ঢাকা ও উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ এতটাই কম ছিল যে, একটি খাবার রান্না করতেই কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছে। অনেক পরিবার সকালে রান্না করতে না পেরে গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে। বাধ্য হয়ে অনেকে এলপিজি সিলিন্ডার, রাইস কুকার কিংবা বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার করছেন, এতে সংসারের ব্যয়ের পাশাপাশি বিদ্যুতের ওপরও অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতেও। রাজধানীর অনেক সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ সীমিত থাকায় ভোর থেকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন চালকেরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অনেকেই প্রয়োজনীয় গ্যাস সংগ্রহ করতে পারছেন না। এতে তাদের আয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি যাত্রীসেবাও ব্যাহত হচ্ছে।

মহাখালীর বাসিন্দা বিউটি বলেন, গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে স্বাভাবিকভাবে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিনই একই দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

অন্যদিকে লালবাগের সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক জসিম জানান, গ্যাস নিতে গিয়ে দিনের বড় একটি সময় পাম্পেই কাটাতে হচ্ছে। এতে আয় কমে গেছে এবং সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। গ্যাসের সংকটে শিল্পাঞ্চলগুলোর অবস্থাও উদ্বেগজনক। প্রয়োজনীয় গ্যাসচাপ না থাকায় অনেক কারখানায় বয়লার স্বাভাবিকভাবে চালানো যাচ্ছে না। কোথাও উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে, আবার কোথাও সীমিত সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শিল্প মালিকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি আদেশ সময়মতো সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়বে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বর্তমান সংকট আরও তীব্র হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আবাসিক, পরিবহন ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। গ্যাস সংকট দীর্ঘায়িত হলে জনজীবনের পাশাপাশি দেশের শিল্প উৎপাদন ও অর্থনীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর