1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

শিবির প্যানেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশে সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৫ বার পঠিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জকসু নির্বাচনে ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী এ কে এম রাকিব বলেছেন, আমরা প্রথম থেকেই স্পষ্ট করেছি আমরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে এমন কোনো কিছুই করতে চাই না। আমরা শুধু চাই-স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন।

আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় রাকিব অভিযোগ করেন, ‘আজকে যখন আমরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করি, ক্যাম্পাসে প্রবেশ করি, তার কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পাই যে একটা নির্দিষ্ট প্যানেলের যেই টোকেন নম্বর ফোল্ডিং, যেখানে প্রত্যেক প্রার্থীর ব্যালট নম্বর আছে এই ব্যালট নম্বর ভিতরে ঢুকছে। অথচ নির্বাচন কমিশন থেকে স্পষ্টভাবে বলা ছিল যে কোনো প্যানেল বা কোনো প্রার্থীর টোকেন নম্বর ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকবে না। আমরা যখন সকালে এটা দেখতে পাই, একাধিক মানুষের কাছে বা একাধিকজন নিচ্ছে, এমনকি আপনাদেরকে বলে রাখি এটা ভোটকেন্দ্রে যেখানে ভোট দেয় সেখানেও একটা নির্দিষ্ট প্যানেলের এই টোকেনটা চলে গেছে।

তিনি আরও বলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা যখন বলি যে এটা তো আচরণবিধি লঙ্ঘন। আমরা যখন প্রক্টরাল টিম এবং নির্বাচন কমিশনকে বলি, তখন তাদেরকে বলার পরে তারা অস্বীকার করে। কিন্তু প্রমাণ দেখানোর সাপেক্ষে তারা পরবর্তীতে বলে ঠিক আছে অন্যান্য প্যানেলও এই টোকেনটা ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা আমাদের প্যানেলের যে টোকেনটা-সেই টোকেনটা আমরা ভিতরে প্রবেশ করাই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এখন যেটা দেখতে পাচ্ছি-ভোটকেন্দ্রে যেখানে যারা দায়িত্বে আছেন, তারা ওই নির্দিষ্ট প্যানেলের ওই টোকেন নম্বরটা ছাড়া অন্য টোকেন নম্বর যখন দেখেন, তখনই যারা দায়িত্বরত আছেন তারা ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখান। অথচ এমনটা হওয়া উচিত ছিল না। যদি সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে সবাইকে দেওয়া হবে, আর যদি সুযোগ না দেওয়া হয় তাহলে কাউকেই কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

যদি ভোটকেন্দ্রে ওই টোকেন নম্বর নেওয়ার অনুমতি দিয়ে থাকেন, তাহলে অনতিবিলম্বে প্রত্যেক প্যানেল এবং প্রত্যেক প্রার্থীর টোকেন নম্বর যেন ভোটকেন্দ্রে নিতে পারে। আর যদি না নিতে পারে, তাহলে কোনো প্যানেল প্রার্থীর টোকেন নম্বর ভেতরে নিতে পারবে না স্ট্রিক্টলি এটা জানিয়ে দেওয়া হোক।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমে যখন আমাদেরকে ঢুকতে দিল না—ওকে ফাইন। কিন্তু অন্য প্যানেল যখন ঢুকছে, তখন আমরা বলার পরে তারা অস্বীকার করছে। প্রমাণ দেখানোর সাপেক্ষে তারা অনুমতি দিচ্ছে। কিন্তু এই বিষয়টা যে ভোটকেন্দ্রে অন্য একটা প্যানেলের টোকেন নম্বর আছে এটারও প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। কিন্তু ওখানে যারা দায়িত্বরত আছেন, তারা অন্য প্যানেলের কোনো টোকেন নিতে দিচ্ছেন না, চেক করে রেখে দিচ্ছেন শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট প্যানেলের টোকেন ছাড়া। আমরা এটা আপনাদের জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত এই বিষয়টি অবজার্ভ করেছি, সেটাই আপনাদের মাধ্যমে জানালাম। আমরা দেখেছি যে ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ নামে যে প্যানেলটা আছে সেই প্যানেলের টোকেন নাম্বার ভোটকেন্দ্রে আছে। শুধু সেই প্যানেল এবং যারা দায়িত্বরত আছেন তারা ওই প্যানেলের টোকেন ছাড়া অন্য কোনো টোকেন থাকলে তাদেরকে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না।”

প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই স্বচ্ছ একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন। প্রথমে বলা হলো ভিতরে কোনো টোকেন আনা যাবে না। ওকে ফাইন কেউ টোকেন আনছে না। পরে আমরা দেখি একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের টোকেন অহরহ ভিতরে যাচ্ছে। আমরা আবেদন করার পর প্রথমে অস্বীকার করা হলেও পরবর্তীতে তারা আমাদেরকেও এই টোকেনের অনুমতি দেয়।’
তিনি আরও জানান, ‘আমাদের কাছে দুই–তিনটা কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত এসব তথ্য এসেছে। একইসঙ্গে আবার অভিযোগ এসেছে যে আমাদের এজেন্টদের কেউ নাকি বুথের ভেতরে উঁকি দিয়ে ব্যালটে দেখার চেষ্টা করছে-এমন অভিযোগও এসেছে।

তিনি আরও জানান, ‘সাজিদ ভবনে কিছু এজেন্ট আমাদের কাছে জানিয়েছে-সেখানে ভোটার স্লিপের সঙ্গে ব্যালট নম্বর ও ছবি দেওয়া আছে। আমরা চাই সবকিছু নির্বাচনী আচরণবিধির মধ্যেই থাকুক।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর