1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

বিচ কমিটির নিরব ভূমিকায় সৈকত দখল,মানছেন না মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ 

মো. মনিরুজ্জামান:
  • প্রকাশে সময় : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩১৭ বার পঠিত
কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ আইন ভঙ্গ করে দেওয়া লাইসেন্সও বাতিল করার বিষয়ে পরিপত্র জারি হলেও জেলা প্রশাসনের কোন উদ্যোগ চোখে পড়ে নাই। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে গত কয়েকদিনে রাতে রাতে বালিয়াড়ি দখল করে বসানো হয়েছে একই নকশার শতাধিক দোকান। কলাতলীতেও একই সময় নির্মাণ করা হয় অর্ধশত দোকান।
কক্সবাজারের বালিয়াড়ি সমুদ্রসৈকত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ জন্য মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার ভূমি মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইন অমান্য করে দেওয়া দোকানের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ আইন ও বিধিবহির্ভূতভাবে দোকানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ ঘোষিত এলাকায় কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের ক্ষতিকর স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
মন্ত্রণালয় বলছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া ভবিষ্যতে যেন আর কোনো দোকান বা স্থাপনা গড়ে না ওঠে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।
সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। এরপর বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও এ এলাকায় যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তবু স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে বা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বালিয়াড়িতে দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে ওঠে।
পরিবেশবিদেরা বলছেন, সৈকতের প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি শুধু পর্যটন নয়, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ধ্বংস হলে কক্সবাজারের পরিবেশ বিপর্যস্ত হবে। তাই সরকারের এ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি, অবৈধ দোকান উচ্ছেদের বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসককে ফুন দিলে তিনি জানান এখন মিটিং এ আছেন পরে কথা বলবেন।
Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর