
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানাধীন ১৩ নং পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নে ০৯ নং ওর্য়াড বড় রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: সাহেব আলী হাওলাদারের বসত ঘরের সামনে মুরগী খোঁয়ার হইতে সম্পূর্ণ হাঁস মুরগি চুরি করে নিয়ে যায় একটি চোর সিন্ডিকেট।
এমন ঘটনা ঘটে গত ১০/৭/২০২৫ ইং তারিখ এলাকাবাসী মুরগী চোর সিন্ডিকেটদের সনাক্ত করে এবং আটক করে থানায় খবর দেয় তখনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল হইতে মুরগী চোরদের থানায় নিয়া যায়,পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হাঁস মুরগী চুরি করেছে বিষয়টি আটককৃত চোররা শিকার করেছে।
সে পরিপেক্ষিতে ওই চোর সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে গত ১৩/০৭/২০২৫ ইং তারিখে বাকেরগন্জ থানায় মামলা রুজু হয় যাহার মামলা নং-১১।অভিযুক্ত আসামীরা হলেন মোঃ আবুল মৃধা (৩৫) পিতাঃ মো কালাই মৃধা,০২।মোঃ তৌহিদ শরীফ (২০) পিতাঃ মো আলম শরীফ সহ উভয় সাং-বড় রঘুনাথপুর, ৩। আব্দুল হালিম পিতাঃ মো ফাইকুল ইসলাম সাং-শাহাপুর,নোয়াহাটা,থানাঃ বাজিত পুর জেলা: কিশোরগঞ্জ,মো: হাসান চৌকিদার (২৩) পিতাঃ আঃ বারেক চৌকিদার সাং- বড় রঘুনাথপুর। মুরগী চোর সিন্ডিকেট বিজ্ঞ আদালত হইতে জামিনে মুক্তি পেয়ে প্রতি পক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন বাকেরগন্জ থানায়। চুরি মামলার যিনি তদন্তকারী কর্মকর্তা তিনিই আবার চাঁদাবাজির অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা।
দায়ের কৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে আমুয়ার বাজারে ব্যবসায়ীর হোটেলে তাঁলা দিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে মো: হিরন খলিফা, মোঃ আকাশ খলিফা,মোঃ মান্নান হাওলাদার,মোঃ শয়ন মৃধা,মো:কাউসার মৃধা,মো: সাকিব মৃধা,মো: সিয়াম মৃধা সহ ০৭ জনের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে আমুয়ার বাজারের অনন্য ব্যবসায়ীদের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তারা জানান,হিরোন খলিফাসহ যাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে চাঁদা দাবি সংক্রান্ত উক্ত বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত ঐ হোটেল ব্যবসায়ী চোর সিন্ডিকেটের সদস্য,তাদের বিরুদ্ধে থানায় চুরির মামলা হওয়ার পরে আর বাজারে আসেনি এবং হোটেল খোলা হয়নি।চুরির মামলায় জামিনে এসেও দোকান খোলেনি।চোর সিন্ডিকেটদের যারা যারা আটক করে থানায় দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন।
মুলত প্রতি পক্ষকে ফাঁসাতেই এই মিথ্যা অভিযোগ করেছেন ঐ ব্যবসায়ী।
এ বিষয়ে বাকেরগন্জ থানায় কর্মরত এস আই দেলোয়ার এর সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি জানান,গত ১০/০৭/২০২৫ ইং তারিখে রঘুনাথপুরে মুরগী চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী চোরদের আটক করে থানায় খবর দিলে ঘটনার স্হান হইতে চোরদের থানায় নিয়া আসা হয় এবং ভুঁক্তভোগীর জবানবন্দি ও চোরের স্বীকারক্তি মুলক জবানবন্দি সাপেক্ষে থানায় একটি চুরি মামলা হয়। উক্ত মামলায় আমি তদন্তকারী কর্মকর্তা।
চুরি মামলার আসামীরা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ঐ আসামিদের মধ্যে এক জন আমুয়ার বাজারে হোটেল ব্যবসায়ী তার দোকানে তালা মেরে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে আসছে হিরন খলিফা সহ কয়েকজন তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছে। উক্ত অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা আমি অভিযোগটির তদন্ত চলমান বটে।