
মংলা উপজেলাধীন চিলা ইউনিয়নের বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মংলা জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বাবুল হাওলাদার পিতা মোহাম্মদ রশিদ হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় চিলা ইউনিয়নের যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ ওবায়দুল ও তার সহযোগীরা।
এমনি ঘটনা ঘটেছে গত ০৪/০৭/২৫ রোজ শুক্রবার বৌদ্ধমারী বাজার পরিষদ মোড়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিএনপি নেতা বাবুল হাওলাদার সংবাদকর্মীদের জানায়, শুক্রবার আনুমানিক ৬:৩০ মিনিটে আমার ব্যক্তিগত কাজ সেরে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ রাস্তায় ঔপেতে থাকা সন্ত্রাসী ১। কাদের জমাদ্দার পিতা রশিদ জমাদ্দার ২।মোঃ আল-আমীন জমাদ্দার ৩। হাসান জমাদ্দার
৪। মামুন জমাদ্দার ৫। মোঃ জলিল ব্যাপারী ৬। কামরুল জমাদ্দার ৭। ইউনুস ব্যাপারী ৮। জাহিদ ব্যাপারী ৯। শহীদ ব্যাপারী সহ উক্ত সন্ত্রাসীরা হঠাৎ এলোপাথাড়ি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে এবং প্রত্যেকের হাতে থাকা লাঠিসোটা দিয়ে পিটাতে থাকে এ সময় আমার আত্মচিৎকারে বাজারের লোকজন দৌড়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় স্হানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বর্তমানে মৃত্যর সাথে পাঞ্জা লড়ছে বিএনপি নেতা বাবুল হাওলাদার।
স্থানীয় বৌদ্ধমারি বাজারে কয়েকজন ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের জানান,যুবলীগ নেতা ওবায়দুলের নেতৃত্বে সুন্দরবনের ভিতরে এবং আশেপাশে খালে বিষ দিয়ে চিংড়ি মাছ শিকার করে আসছে। উক্ত মাছ ধরাকে বাধা দিয়ে আসছিলো বিএনপি নেতা বাবুল হাওলাদার। এছাড়াও কিছুদিন পূর্বে সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা ওবায়দুলে লোকজনের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্থানীয়রা আরো জানান, বাবুল হাওলাদার কে মারধর করার ১ ঘন্টা পূর্বে মোঃ ইলিয়াস জমাদ্দারকে মারধর করে যুবলীগের নেতা ওবায়দুলের সন্ত্রাসী বাহিনী। উক্ত মারামারি বিষয় ইলিয়াস জমাদ্দারে ছেলে রিয়াজ জমাদ্দার বাদী হয়ে মংলা থানা একটি মামলা দায়ের করেন। তবে আহত বিএনপি নেতা বাবুল হাওলাদার পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি যতটুকু জানা যায় মামলা প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে মংলা থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান আহত ইলিয়াস জমাদ্দার এর পক্ষ থেকে একটি মামলা হয়েছে কিন্তু বিএনপি নেতা বাবুল হাওলাদার পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।