
যাত্রাবাড়ী থানার মাতুয়াইলে আব্দুল হালিম তার স্ত্রী নওশীন সুলতানা কে আত্মগোপনে রেখে প্রতিবেশী সৌরভ চন্দ্র শীল এর সাথে চলে গেছে প্রচার করে তাকে ফাঁসানোর অভিযোগের ঘটনা ঘটেছে।
গত ২৭ শে জুন শুক্রবার আব্দুল হালিম তার স্ত্রী নওশীন সুলতানা কে তার চাচা শশুর জাহাঙ্গীরের বাড়িতে যাত্রাবাড়ী থানা অন্তর্ভুক্ত ভাঙ্গা প্রেস রেখে আসে। তারপর বাড়িতে ফিরে কৌশলে প্রচার করে তার স্ত্রীর প্রতিবেশী সৌরভ চন্দ্র শীলের সাথে চলে গেছে।
হালিম সৌরভ কে ফোন করে তার স্ত্রী কোথায় আছে জানতে চায় এবং ফেরত না দিলে মামলা ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির প্রদান করেন। সৌরভ চন্দ্র শীল ফোন পেয়ে হালিম এর সাথে দেখা করে তার স্ত্রী তার সাথে কোথাও যাইনি বলে জানান। তখন হালিম এলাকার কিছু নেতার সাহায্যে সৌরভ চন্দ্র শীলের উপর চাপ প্রয়োগ করে এবং তার স্ত্রীকে ফেরত দিতে বলে। হালিম পরে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেন।
ঘটনার চারদিন পর সৌরভ চন্দ্র শীল এলাকাবাসীর কাছে জানতে পারেন হালিমের স্ত্রী তার বাড়িতে তার ফিরে এসেছে। তার স্ত্রীকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে হলে সে জানায় তার স্বামী তাকে তার চাচার বাড়িতে রেখে আসেন। বেড়ানো শেষে সে হালিমের বাড়িতে ফিরে এসেছেন। এ সম্পর্কে জানতে হালিমের ব্যবহৃত মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিডি টাইমস ২৪ কে বলেন আমার স্ত্রী রাগ করে কাউকে কিছু না বলে আমার চাচা শ্বশুর জাহাঙ্গীর এর বাড়িতে চলে যায়।
আমার স্ত্রীর কললিস্টে সৌরভ চন্দ্র শীলের নাম্বার পাওয়ার কারণে তাকে সন্দেহ করে আমার স্ত্রী তার কাছে গিয়েছিল কিনা না আমি তা জানতে চাই।
সাধারণ ডায়েরি সম্পর্কে যাত্রাবাড়ী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সজিবের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিডি টাইমস ২৪ কে বলেন, হালিম তার স্ত্রীর নিখোঁজের জন্য থানায় একটি মিসিং ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি তার স্ত্রী বাসায় ফিরে এসেছে। বিষয়টি সৌরভ চন্দ্র শীলকে সাধারণ নাটক বানিয়ে হালিম ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিলো। এ বিষয়ে তিনি আরো জানান সৌরভ চন্দ্র শীল যদি আইনগত ব্যবস্থা নেয় হালিমের বিরুদ্ধে তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাবে হালিমের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ হবে।