1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

কাজিপুরে কোরবানির পশু চাহিদা চেয়ে বেশি 

আব্দুস সোবহান চান, কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) :
  • প্রকাশে সময় : বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
  • ২০৭ বার পঠিত

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় কোরবানির পশু চাহিদার তুলনায় বেশি আছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশু লালন পালনে যত্নশীল ও সচেতন খামারিরা। বাজার মূল্য ভালো থাকলে লাভের আশা করছেন তারা।

কাজিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এবছর উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ২৬১৭৩ টি।
উদ্বৃত্ত পশুর পরিমাণ ১৭১০৭ টি। তথ্যমতে,  ১২৬৪ জন খামারির পালনকৃত ষাঁড় ১০৭৯৫  বলদ ৯৪৪ গাভী ৩৩৪৮
মহিষ ৮০৩ ছাগল ২৬১৩৯ ভেড়া ১২৫১ টি আছে। এছাড়াও মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত প্রায় বাড়ীতে একাধিক গরু ছাগল পালন করে থাকে।
কাজিপুরে উল্লেখযোগ্য পশুর হাট নাটুয়ারপাড়া, সোনামুখী এবং কাজিপুর পৌরসভা হাট। পশু ব্যবসায়ীগণ সারাবছর গরু,মহিষ,ছাগল ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে থাকে। কোরবানি উপলক্ষে প্রচুর প্রাণী ক্রয় বিক্রয় হয়ে থাকে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ দিদারুল আহসান বলেন, এই উপজেলায় প্রতি বছর কোরবানিযোগ্য পশু উদ্বৃত্ত থাকে। এখানকার খামারিগণ পশু পালনে খুবই আন্তরিক এবং স্বাস্থ্য সচেতন। প্রাণিসম্পদ অফিসের যথাযথ পরামর্শ অনুসরণ করে সঠিক পরিচর্যা করেন। হরমোন জাতীয় ওষুধ ও খাবার পশুকে খাওয়ানোকে নিরুৎসাহিত করার ফলে প্রাকৃতিক খাবারে মোটাতাজাকরণ করে থাকে।
তাছাড়া ঈদুল আজহা উপলক্ষে সচেতন খামারি অফিসে এসে কোরবানিযোগ্য গাভী আল্ট্রাসনোগ্রাম করে নিশ্চিত হন। এছাড়াও পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য প্রতিটি হাটে আমাদের মেডিক্যাল টিম থাকে। গো খাদ্য চড়া দামের কারণে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় খামারিরা দাম নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন।
বুধবার হাটগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজার দর আগের মত আছে। সোনামুখী হাট ইজারাদার নবির উদ্দিন মন্ডল বলেন, পশু আমদানি বৃদ্ধি পেলেও বিক্রয় এখনো বাড়ে নাই। বাজার মূল্য বাড়ে নাই। আগামী হাটে বাড়ার সম্ভাবনা আছে। শেষ মুহূর্তে লাভের আশায় খামারিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন গরু, মহিষ, ছাগল স্বাস্থ্যবান ও সতেজ তরতাজা রাখার লক্ষ্যে।
Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর