1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

নওগাঁয় কমেছে পেঁয়াজ-রসুনের বাজার মূল্য

সাহেব আলী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশে সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০২৪
  • ১৪৯ বার পঠিত
নওগাঁয় সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কমেছে। প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫৫ টাকা কেজি এবং রসুন ৭০-৮০ টাকা। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। সেখানে কেজিতে ১০-১৫ টাকা লাভে বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়িরা। দাম কমায় ভোক্তাদের মাঝে স্বস্থি ফিরেছে।
নওগাঁ পৌর পাইকারি বাজারে সূত্রে জানা যায়- মঙ্গলবার  সকাল থেকে  বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ পাইকারি  বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫৫ টাকা । যা গতকাল ৬০ টাকা কেজি। তবে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম কমেছে ৪০-৪৫ টাকা। এদিকে রসুন বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা। যা গতকালই বিক্রি হয়েছে ৯৫-১০০ টাকা কেজি। তবে প্রতি কেজি আলু এখনো ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।জেলায় পেঁয়াজের উৎপাদন কম হওয়ায় পাশের জেলা পাবনা এবং নাটোর থেকে কিনে নিয়ে আসেন এ জেলায় ব্যবসায়িরা। সেসব জেলার ওপর পেঁয়াজের বাজারদর নির্ভর করে। বাজারে ক্রেতার আনাগোনা কম। দাম যখন ১০০ টাকা ছিল আর দাম বাড়ার আশঙ্কায় ক্রেতারা বেশি পরিমাণ কিনে রেখেছে। একারণে বাজারে ক্রেতা সংকট। তবে দাম কমায় ভোক্তাদের মাঝে স্বস্থি ফিরেছে।


জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে- এ বছরে পেঁয়াজের আবাদ ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৮৯০ হেক্টর। যা থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৩ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন। গত বছর ৪ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমি থেকে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছিল ৫৭ হাজার ২৫৭ মেট্রিক টন। এ বছর রসুনের আবাদের পরিমাণ ৭৮০ হেক্টর ধরা হয়েছে। যা থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২০ মেট্রিক টন। এছাড়া গত বছর ৮২০ হেক্টর জমি থেকে রসুনের উৎপাদন হয়েছিল ৭ হাজার ৬২৬ মেট্রিক টন।ব্যবসায়ি আমিনুল ইসলাম  বলেন- প্রতিদিন প্রায় ১০ বস্তা বিক্রি হয়। এই পাইকারি বাজার থেকে কিনে বিক্রি করা হয়। যার কারণে লোকসান কিছুটা কম হয়েছে। একদিনে প্রায় ২ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে। তবে যারা জেলার বাহির থেকে পেঁয়াজ কিনে নিয়ে আসেন তাদের বেশি লোকসান হয়েছে।

ব্যবসায়ী সোহেলরানা   বলেন- যেসব বিক্রি হয় তার ২-৩ দিন আগে কিনে নিয়ে আসা। প্রতিদিন ৫০ বস্তা (১০০ মন) বিক্রি করা হয়। প্রতিকেজিতে ৫-৭ টাকা লোকসান করে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। অপরদিকে স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত পেঁয়াজও বাজারে আসতে শুরু করেছে। আগামীতে পেঁয়াজের দাম আরো কমতে পারে। এছাড়া রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকা কেজি

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর