
প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে নওগাঁর সদর উপজেলার কুশাডাঙ্গা গ্রামে।এ ঘটনায় শাকিব গং এর নামে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে একই গ্রামের মৃত কমেজ উদ্দিনের ছেলে ভুক্তভুগি হোসেন আলী।হোসেন আলী বলেন, আমার কুশাডাঙ্গা মৌজায় অনুমান ১২ শতাংশ সম্পত্তি, যা আমি পৈত্রিক সূত্রে ৬ শতাংশ প্রাপ্ত হইয়া উক্ত সম্পত্তিতে বসতঃ বাড়ীতে নির্মাণ পূর্বক দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি।
গত ইং ০৮/০২/২৫ তারিখ সকাল থেকেই উক্ত সম্পত্তিতে চেয়ারম্যনের প্রতিনিধি ও গন্যমাণ্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে বাড়ীর ভিতরে পাকা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করি। কিন্তু হঠাৎ করে গত ইং ১০/০২/২০২৫ তারিখ দুপুর ২টায় সময় আসামী ১। মোঃ শাকিব হোসেন, পিতা- মৃত সায়েদ আলী, ২। মোছাঃ সুফিয়া বেগম, স্বামী- মৃত সায়েদ আলী উভয় সাং- কুশাডাঙ্গা, ৩। মোঃ শামীম হোসেন, পিতা- মোঃ তোফাজ মন্ডল, সাং- পার-নওগাঁ, ৪। মোঃ আল ইমরান হোসেন পাপ্পু, পিতা- মোঃ মকবুল হোসেন, সাং-সুলতানপুর, ৫। মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, পিতা- আফের আলী, সাং- কুশাডাঙ্গা, থানা ও জেলা- নওগাঁ সহ আরো অজ্ঞাতানামা ১৫/২০জন আসামী দলবদ্ধ হইয়া হাতে লাঠি, লোহার রড, ধারালো হাসুয়া, শাবল সহ আমার বসতঃ বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া আমার উক্ত নির্মাণাধীন প্রাচীরটি ভাংচুর করিয়া ক্ষতি সাধন করে। আমরা বাঁধা প্রদান করায় আসামীরা আমাদেরকে মারপিট ও যখম করিয়া আমাদেরকে বাড়ীতে অবরুদ্ধ করিয়া রাখে। আসামীরা আমার ঘরের ভিতরে গিয়া ঘরে থাকা ৫০,০০০/- টাকা ও ব্যবহৃত অনুমান ০১ ভড়ি ওজনের স্বর্ণ অলংকার লুট করিয়া নেয়। তখন আমরা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করিলে থানা থেকে পুলিশ গিয়া আমাদেরকে উদ্ধার করে।পরে আহতদের নওগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে আসামীরা আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করিয়া আসিতেছে।
একই গ্রামের সোলায়মান হাজী বলেন তমাল এর বাবা হোসেন আলী বিধিমোতাবেক তার বাড়ির অংশ পাবে সে অনুযায়ী তারা প্রাচীর নির্মান করেছিলেন জোর পূর্বক শাকিব তার আত্মীয়দের সাথে নিয়ে ভেঙে দেয়।এর আগে আমরা বসে ২০০০০ টাকা ২টি বড় গাছ দিয়ে মিমাংসা করে দেয়া হয় তার পরেও কেন এই কাজটা করলো আমার বুজে আসেনা।এটা গায়ের জোর ছাড়া আর কি হতে পারে।এলাকার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রাজা বলেন দুপক্ষকে নিয়ে মিমাংসা করে দিয়েছি ।পরবর্তীতে কি হয়েছে তা আমি জানিনা।বিবাদী শাকিব বলেন পারিবারীক বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়েছে তবে কোন প্রকার মারামারী হয়নি । এবিষয়েপুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহিন জানান ঘটনা সত্য, দুপক্ষ মামলা করেছে তদন্ত করে পরামর্শ দেয়া হবে।