
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র আবিবি-ফতুল্লা অফিসে নিজকক্ষে বসে সহকারী কর্মকর্তা ও ৩ কর্মচারীর ঘুষের টাকা ভাগাভাগির একটি ভিডিও দেখে নড়ে চড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ।এই ঘটনায় সহকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তাৎক্ষণিক বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।
তিতাস গ্যাসের এসব সদস্যদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিতাস গ্যাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অভিযুক্ত ঐ সহকারী কর্মকর্তার নাম এস.এম হারুন আল রশিদ বাকি ৩ কর্মচারীগণ হলেন পিসি অপারেটর হাসান ইমাম, সিনিয়র গাড়ি চালক সোলায়মান ও হারুনুর রশিদ।এরা প্রত্যেকেই তিতাস গ্যাসের আবিবি-ফতুল্লা অফিসে কর্মরত থেকে গত ২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর নিজেদের একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের লোক পরিচয় দিয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রভাববিত করে নানা অপকর্ম করে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেছেন।
তারা প্রতিদিন এই অফিসের আওতাধীন এলাকায় তিতাস গ্যাসের গাড়ি নিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহারকারীদের বাসা বাড়ি শিল্প প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার দাবি করতেন। এভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করতো এই চক্রটি। এবং অভিযুক্ত এসব ব্যক্তিরা তিতাস গ্যাসের লুঙ্গি পার্টির নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন দীর্ঘদিন।
তিতাস গ্যাসের লুঙ্গি পার্টির প্রধান শামীম ও তার সহযোগী নাসির গং এসব কর্মকর্তা কর্মচারীদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় অভিযানের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করে। এদের তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে সম্পৃক্ত করতে নেপথ্যে তিতাস অফিসের সাহায্যকারী শামসুদ্দিন কাজ করে থাকে ।
গত সপ্তাহে বড় একটি ঘুষ লেনদেনের টাকা অফিসে বসে ভাগাভাগি করার সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করে কোন একজন। সেই ভিডিওর সূত্র ধরেই নড়েচড়ে বসে তিতাস কর্তৃপক্ষ।
এই বিষয়ে জ্বালানি উপদেষ্টার একান্ত সচিব হাসনাত মুর্শিদ জানিয়েছেন বিষয়টি উপদেষ্টা মহোদয় কে জানানো হবে এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই বিষয়ে কথা বলতে তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ নেওয়াজ পারভেজ এর মুঠোফোনে বারবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।