1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

লতা হারবালের মালিক আইয়ূব আলী ফাহিম ধর্ষণের মামলায় কারাগারে

অনলাইন ডেস্কঃ
  • প্রকাশে সময় : মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৭৯ বার পঠিত

২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) ধানমন্ডি থানায় দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হন লতা হারবালের মালিক আইয়ূব আলী ফাহিম। এই মামলায় এতোদিন জামিনে ছিলেন অভিযুক্ত আসামী। কিন্তু আওয়ামী সরকারের পতনের পর আর রেহাই পাননি তিনি। আজ মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নারী-শিশু ৬ নং আদালতে চার্জশীট গৃহীত হয়। এই মামলার এজাহারে তাকে অভিযুক্ত করে কারাগারে প্রেরণের নিদের্শ দেন ঢাকা জেলা দায়রা জর্জ কোর্ট।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, তিনি ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকারের দোসর। তাই অনেক দিন ধরা ছোয়ার বাইরে ছিলেন তিনি। বিগত সরকারের আরও বিভিন্ন অপকর্মের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন বলেও জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে আরো অনেক অভিযোগ আছে। এই মামলা যেন আলোর মুখ দেখতে না পায় এজন্য অভিযুক্ত আসামী ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন তদবির করে মামলাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন।

ভুক্তভোগীর বক্তব্য ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের মার্চ মাসের ৩০ তারিখ রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এবং ভুক্তভোগীর শিশু সন্তানকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত। এরপর ধারাবাহিকভাবে চার মাস বাসায় আটকে রেখে অস্ত্রের মুখে একই কায়দায় ধর্ষণ করতেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী নারী। এত দিন তিনি পারিবারিক চাপে মুখ খুলতে সাহস পাননি। অবশেষে নিরুপায় হয়ে থানায় মামলা করেন। ভুক্তভোগী নারী গ্রেপ্তার হওয়া আইয়ূব আলী ফাহিমের সৎ মেয়ে।

সূত্র মাধ্যমে আরো জানা যায়, গ্রেপ্তারের সময় আইয়ূব আলী ফাহিমের কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। এ অস্ত্রের বৈধতা এবং গুলির হিসাবের বিষয়ে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।

ভুক্তভোগী মামলায় আরও অভিযোগ করেন, অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণা করে রাখেন ফাহিম। ভয়ভীতি দেখান, যদি এই ঘটনা কাউকে বলা হয় তাহলে অনলাইনে ছেড়ে দেবেন। এরই মধ্যে তিনি ২০২২ সালের জুলাই মাসের ৫ তারিখ ফাহিমের বাসা থেকে পালিয়ে নিজের জীবন বাচাঁতে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। নাগরিকত্ব পাওয়ার পরে দেশে রেখে যাওয়া তার শিশুপুত্রকে উদ্ধার করতে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর দেশে ফিরে আসেন। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর