1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

যুদ্ধের ২৫ বছরেও পূরণ হয়নি বিধ্বস্ত বড়াইবাড়ী গ্রামবাসীর দাবী 

আতাউর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) :
  • প্রকাশে সময় : মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পঠিত

যুদ্ধের ২৫ বছর অতিবাহিত হলে ও দাবী পূরণ হয়নি রৌমারীর বড়াইবাড়ী গ্রামবাসীর। গ্রামবাসীর প্রাণের দাবী আগামী ১৮ এপ্রিলের আগেই সরকার বাহাদুরের নিকট আবেদন করেছেন উক্ত গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের।

সোমবার গ্রামবাসীর আহবানে উক্ত গ্রামে সরে জমিনে গেলে পত্রিকায় তাদের এলাকার খবরটি প্রকাশ করার জন্য আবেদন জানান,তাদের আশা খবরটি ছাপা হলে অবশ্যই বড়াইবাড়ী বাসী উপকৃত হবেন। ২০০১ সালে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী যুদ্ধের খবরাখবর বিভিন্ন পত্রিকায় কভারেজ দিয়েছিলো। সেজন্য জন্য গ্রামবাসী কৃতজ্ঞ।

বড়াইবাড়ী গ্রামবাসীর দাবী বৃহৎ আকারের গ্রামটি স্বাধীনতার উত্তর কালে উহার বিপুল অংশ ভারতীয় আগ্রাসী জবরদখলের সীমানাগত রহে। সময়ের পরিক্রমায় ২০০১ইং সালে ১৮ এপ্রিল তারিখে ভারতীয় আগ্রাসী শক্তি দ্বারা আক্রান্ত হলে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রায় শ-খানেক বাড়ীঘর জালিয়ে দিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করে। ভারতীয় বিএসএফ রাতের আধারে নিরস্ত্র বাংলাদেশী গ্রামবাসীর উপর গোলাবর্ষণ করে। গ্রামবাসী মারা না গেলেও ৩ জন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) শহীদ হন বিএসএফের ব্রাশ ফায়ারে।

সে সময়ে বীর যোয়ান তৎকালীন বিডিআর ও এলাকার সাধারন মানুষ বিশেষ করে উক্ত গ্রামের মিনহাজ আলী ( বিজিবিতে চাকুরীরত), জীবনের ঝুকি নিয়ে বিডিআর ক্যাম্পে খবর দেয়। পরে একই সাইফুল ইসলাম লালসহ অনেক সাধারন জনগণের যৌথ সহযোগিতায় ভারতীয় বিএসএফ পিছু হটে এবং তাদের ১৭ জন সৈন্য যুদ্ধে মারা যায়।

তাদের দাবী স্বাধীন ভূ-খন্ডের বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে বসবাস করলেও যাতায়াতের সুবিধার রাস্তাঘাট পেলেও তাদের কমলমতি শিশুদের শিক্ষার সুযোগের জন্য নিকটবতীতে বা উক্ত গ্রামে কোন শিক্ষা প্রতিষ্টান নেই। গ্রামটিতে বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের বসবাস। শিক্ষা গ্রহণের জন্য এখানকার শিশুরা ২ থেকে ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিয়ে শিক্ষা গ্রহনের জন্য যেতে হয়।

এছাড়া গ্রামবাসীর অভিযোগ সে সময়ে যারা বিডিআরের সাথে সহযোগিতা করেছেন,তাদের নাম বাদ দিয়ে সাবেক এমপি রুহুল আমীন তার নিজস্ব আত্নীয়স্বজন,শশুর-শাশুরীকে যুদ্ধে অংশহ্রহণকারী আনসার ও ভিডিপি সদস্য বানিয়ে সুযোগ সুবিধা নেওয়ার পায়তারা করছে ।  এতে করে প্রকৃত অংশ গ্রহণকারীরা যাতে বাদ না পরে সে দিকে দৃষ্টি কামনা করেছেন।
তবে তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি রিসিভ করেনি। সেজন্য তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর