1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

মোরেলগঞ্জে ৩শ বিঘা কৃষিজমিতে ঘের নির্মাণের অভিযোগ,জলাবদ্ধতায় ফসলহানি স্থানীয়দের বিক্ষোভ

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশে সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫
  • ৩৪৮ বার পঠিত

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর বলইবুনিয়া ইউনিয়নের কুহারদাহ নেহাল খালী এলাকায় প্রায় ৩০০ বিঘা ফসলি জমিতে মৎস্য ঘের নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ।

জমির প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে ব্যাপক ফসলহানির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী বুধবার বিকেলে এক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ ঘের নির্মানে কালভার্ট বন্ধ করে দেওয়ার ফলে চাষাবাদের উপযোগী জমিতে পানি জমে রয়েছে, ধানের চারা পঁচে গেছে এবং রোপণ ব্যাহত হচ্ছে। স্হানীয় কৃষকদের অভিযোগ করেন, জমির প্রকৃত মালিকদের সম্মতি ছাড়াই প্রভাব খাটিয়ে এসব জমি দখল করা হয়েছে।

একজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নুরুল ইসলাম খান বলেন, “ঘেরের পানি আটকে রাখায় ধানের চারা রোপণ করা যাচ্ছে না। কিছু জমিতে চারা নষ্ট হয়ে গেছে। আগে এই এলাকায় কখনো ঘের ছিল না—এবার জোরপূর্বক তা করা হচ্ছে।”

চান মাতুব্বর নামে আরেক কৃষক জানান, “আমার বরগা নেওয়া জমিতেও জোর করে ঘের নির্মাণ করা হয়েছে। বাধা দিলে মামলা ও হামলার হুমকি দেওয়া হয়।”

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া রাবেয়া খানম, শাহিনুর বেগম, মোশারফ মাতুব্বর ও মহারাজসহ অনেকেই জানান, জমি দখলের সময় স্থানীয়দের ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং প্রতিবাদকারীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. সাদিক শিকদার দাবি করেন, “আমরা ১০৪ জন জমির মালিকের সম্মতি নিয়েই ঘের নির্মাণ করেছি এবং ক্ষতিপূরণও দিয়েছি। ঘের ব্যবসায় কয়েকজন শেয়ার থাকার কথা বললে আমি তাদেরকে নেয়নি বিধায় এরা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে।

জমির প্রকৃত মালিকদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, প্রশাসনের সময়মতো পদক্ষেপ না এলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। তারা কৃষিজমির স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে এনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

এ সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ বলেন, কুয়ারদাহ-নেখালপুর গ্রামের জমি মালিকদের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের পর্যায়ে থাকলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর