1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

মোংলা বন্দরের সাবেক সিবিএ নেতা মতিউরের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশে সময় : রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৯২ বার পঠিত

একের পর এক অপরাধ করে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন আওয়ামী লীগের দোসর মোংলা বন্দরের সিবিএর সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মতিউর রহমান সাকিব। তিনি হিসাবরক্ষক ও তড়িৎ বিভাগের কর্মরত। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের শাসনামলে সিবিএর এ নেতা অনিয়ম ও দুর্নীতির অন্যতম হোতা হয়ে ওঠেন। আধিপত্য খাটিয়ে করেন একের পর এক অপরাধ। সিবিএ নেতা হওয়ার কারণে কেউ কিছু বলার বা প্রতিবাদ করার সাহস পেতেন না।

আরেক সিবিএ নেতা মোংলা বন্দরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমের সহযোগিতায় গড়ে তোলেন এক বিশাল সিন্ডিকেট। যদিও তিনি একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। মতিউর রহমান মোংলা বন্দরের সিবিএ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ শাখার সাধারণ সম্পাদক- এ পদগুলোর ভয় দেখিয়ে প্রভাব বিস্তার করে অনেক দুর্নীতি-অনিয়ম করেছেন।

মতিউর রহমান সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তার ভগ্নিপতি সরোয়ার মুন্সিকে ভাণ্ডারি পদে হারবার অ্যান্ড কনজারভেন্সি বিভাগে চাকরি দেন। ছোট ভাই মহসিন হোসেন বাদশাকে জুনিয়র আউটডোর ট্রাফিক বিভাগ আর এক ছোট ভাই মোজাম্মেল হককে মেশন গ্রেড-১ সিভিল ও হাইড্রোলিক্স বিভাগে চাকরি দেন।

এছাড়া ফজলুল হককে ভাণ্ডারি পদে হারবার অ্যঅন্ড কনজারভেন্সি বিভাগে চাকরি দেন। সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩০ বছর হলেও ওই ব্যক্তিদের আবেদনের সময় বয়সসীমা উত্তীর্ণ হয়ে যায়। তার একটা প্রমাণ হলো মোজাম্মেল হক মেশন গ্রেড-১-এর চাকরির আবেদনপত্রে উল্লেখিত জন্মতারিখ ১৩/১১/১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ, জাতীয় পরিচয়পত্র নং-০১২৫৮০৪৩৩০২৪২ মোতাবেক জন্মতারিখ ১৩/১২/১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে এসএসসি পাসের সনদপত্র তার জন্মতারিখ ১৩/১২/১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষে গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্তসাপেক্ষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সুপারিশ করা হলেও মতিউর রহমানের প্রভাবে তাহা স্থগিত করা হয়েছে।

মতিউর রহমান একজন হতদরিদ্র ব্যক্তি পলাশ স্থায়ী বন্দর এলাকা মোংলা, তার পিতা মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সুইপার পদে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তাকে চাকরি দেওয়ার কথা বললে তিনি তার বাবার পেনশনের ৪ লাখ টাকা সাকিবের হাতে তুলে দেয়, কিন্তু সাকিব চাকরি দিতে না পারলে টাকা ফেরত চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন সাকিব। ইউসুফ আলী নামক ব্যক্তির নামে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পুরোনো মোংলার কেওড়াতলায় ৬৩৮.৮৯ বর্গগজ জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তারে জায়গাটি স্টাম্পে পজিশন হস্তান্তর জাল দলিল করিয়া তার স্বাক্ষর নকল করে মদোমণ্ডল সাবেক নিরাপত্তা হাবিলদারের নামে বরাদ্দ করে নেন তার বিনিময়ে তার নিকট থেকে ৫ লাখ টাকা নেন মতিউর রহমান সাকিব। প্রভাব বিস্তার করে তিনি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্মিত স্মৃতিসৌধের পেছনে অবৈধ জমি দখল করেন এবং দুই কক্ষের মার্কেট গড়ে তুলে ব্যবসা করছেন।

এছাড়া মাধবীকোট কলোনির সামনে যাত্রীছাউনিতে দোকান তুলে তিনি ভাড়া দিচ্ছেন। এছাড়া কলেজ রোড এলাকায় দুটি প্লট ক্রয় করেছেন, যারা মূল্য ১ কোটি টাকার বেশি। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের শাসন আমলে এ দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগের দোসর এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। এ নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে মন্তব্য চাওয়া হলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মতিউর রহমানের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর