1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি জায়গায় প্রভাবশালীর ৬ টি দোকান নির্মান, আংশিক উচ্ছেদ

মনিরুজ্জামান মনির, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ
  • প্রকাশে সময় : রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১১৯ বার পঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে পৌরসভার শিমরাইলকান্দি এলাকায় সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
রোববার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুক্তা গোস্বামী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে পাকা স্থাপনার কিছু অংশ গুড়িয়ে দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান ভূইয়া। তিনি ইট, বালু, কংক্রিট, পাথর, সিলেকশন বালু ইত্যাদির পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা  সদর থেকে বিজয়নগর উপজেলার সংযোগকারী সড়ক (সীমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সড়কের শিমরাইলকান্দি এলাকার তিতাস নদীর প্রথম সেতু সংলগ্ন উত্তরদিকে তিন শতক জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণকাজ শুরু করেন। সেখানে তিনি ছয়টি দোকান নির্মাণ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা-সমালোচনা চলছিল।
স্থানীয় লোকজন ও ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, জায়গা দখলের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ পায় সদর উপজেলা প্রশাসন।
রোববার বেলা ১১ টার দিকে সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুক্তা গোস্বামী সেখানে অভিযান চালান। অভিযানে পাকা স্থাপনার লিংটারসহ দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙে গুড়িয়ে দেন।
পাকা স্থাপনা নির্মাণকারী হাবিবুর রহমান ভূইয়ার পক্ষে ভাতিজা দানু ভূইয়া জায়গটি রেল বিভাগ থেকে ইজারা নেয়া হয়েছে বলে সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুক্তা গোস্বামীকে জানান। জায়গাটি বিএস জরিপে সরকারি খাস খতিয়ান ভূক্ত বলে দখলকারীদের জানানো হয়।
পরে সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুক্তা গোস্বামী দখলকারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থাপনা সরাতে দানু ভূইয়াকে একদিনের সময় দেন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের লোকজন ও সদর থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুক্তা গোস্বামী বলেন, বিএস ৫৭ দাগে এটি সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভূক্ত খালের জায়গা। তারা যে জায়গা রেল থেকে ইজারা নিয়েছেন এটি সেই জায়গা নয়। তারা দাগ নম্বর ভুল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করছেন স্বীকার করে সময়ের আবেদন করেছেন। তাই স্থাপনা সরাতে একদিনের সময় দেয়া হয়েছে। স্থাপনা না সরালে পুনরায় অভিযান চালিয়ে সব গুড়িয়ে দেয়া হবে।
Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর