
পূর্ব নির্ধারিত সফর অনুযায়ী ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেহালদশা ও যানজট পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসার পথে নিজেই তীব্র যানজটের কবলে পড়ে টক অব দ্যা কান্ট্রিতে এখন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বিশ্বরোড মোড়ে তার পৌছানোর কথা থাকলেও ৩ ঘন্টা তীব্র যানজটে পড়ে তিনি সেখানে গিয়ে পৌছান প্রায় দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে। ঢাকা থেকে তিনি প্রথমে ট্রেনে চড়ে ভৈরব রেলওয়ে ষ্টেশনে নেমে সড়ক পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঢুকলে উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের গাড়ি বহর যানজটে আটকা পড়ে।
তিনি বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে সাড়ে ১২ঃ৩০ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলে করে বেহাল সড়ক পরিদর্শন করেন।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেহালদশা ও যানজট পরিস্থিতি পরিদর্শনে যাওয়ার পথে নিজেই তীব্র যানজটের কবলে পড়েলেন। এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ খাইরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উপদেষ্টার গাড়ি বহর সকাল সোয়া ১০ টায় দিকে আশুগঞ্জের হোটেল উজানভাটির সামনে থেকে সরাইল-বিশ্বরোডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিছুদূর যাওয়ার পরই উপদেষ্টার গাড়িবহরসহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সাথে থাকা আরও গাড়ি বহর সোহাগপুর এলাকায় যানজটে আটকা পড়েন। পরে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপদেষ্টা মহোদয় মোটরসাইকেলে করে বিশ্বরোডের দিকে রওনা হন। একসময় আশুগঞ্জের সোনারামপুর এলাকায় প্রায় ২ ঘণ্টা যানজটে আটকে ছিলেন তিনি। এরপর গাড়ি থেকে নেমে তিনি হাঁটা শুরু করেন।
উপদেষ্টার সঙ্গে আরেকটি মোটারসাইকেলে ছিলেন, উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মঈনউদ্দীন। সরাইল বিশ্বরোডে এসে সার্বিক পরিস্থিতি দেখে সাংবাদিকদের প্রশ্ন তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিবর্তন ও ইন্ডিয়ার সাথে আমাদের যে ফোরলেন প্রকল্পের কাজ চালু রয়েছে সেই চলমান প্রকল্পের কাজ বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকার কারনে এখানকার রাস্তা তীব্র যানজটে বেহাল দশায় রয়েছে। যেটা আমরা প্রায় ১৬৩ কোটি টাকা দিয়ে আবার নতুন করে পুনরায় কাজটা চালু করেছি। আশা করি আগামী জানুয়ারির মধ্যে এই কাজের সমাপ্তি ঘটবে এবং মানুষ সুফল ভোগ করবে। এসময় উপদেষ্টা ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এখানকার উন্নত ট্রাফিকিং এর ব্যাপারে তিনি এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে বিষদ কথা বলবেন বলেও জানান।
এসময় তার সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম ও পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক, সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মোশারফ হোসেন এবং সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।