
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার উত্তর সুহিলপুর গ্রামে দলিলে দাগ নম্বর ভুল উঠায় চরম বিপাকে একটি পরিবার।
জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে গত ১০ আগস্ট শনিবার দুপুরে উত্তর সুহিলপুর গ্রামের আনছার বাড়ীতে আব্দুল হাফিজের ছেলে জামাল মিয়ার ক্রয়কৃত বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে ভাড়াটিয়াদের কে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে বলে অভিযোগ জামাল মিয়ার। অভিযুক্ত ও হামলা ভাঙচুর লুটপাট কারিরা একই গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলেরা বলে জানায় জামাল মিয়া। পরে গত শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী গিয়ে বিষয়টি সাময়িক মীমাংসা করেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর জামাল মিয়া ঐ গ্রামের মৃত চান মিয়ার কাছ থেকে ১৮ শতক বসতবাড়ি ক্রয় করে। দলিল লেখার সময় জমির দাগ নং ভুল রেজিস্ট্রি হয়ে যায়,২০২৩ সালে জমি মাপতে গিয়ে জামাল মিয়া বিষটি জানতে পেরে দলিল সংশোধনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাবরেজিস্টার অফিসে একটি আবেদন করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তিগন জানায়, বাড়িটি জামাল মিয়া ২০০৯ সালে মৃত চান মিয়ার কাছ থেকে কিনে নেয়। দলিলে দাগ নং ভুল উঠার সুযোগটাকে ব্যবহার করে চান মিয়ার ছেলেরা বাড়িটি দখলে নিয়ে ভাঙচুর লুটপাট করে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। অথচ মৃত চান মিয়ার ছেলেদের দাবী, আমার পিতা জীবদ্দশায় জামাল মিয়ার কাছে ডোবার জায়গা বিক্রি করেছে, বাড়ীর জায়গা বিক্রি করেনি। কিন্তু সে আমাদের বসতবাড়ী দখল করে ঘর উঠিয়ে ভাড়াটিয়াদের কাছে ভাড়া দিয়েছিলো।আদালতে আমাদের মামলা চলমান রয়েছে। আমরা গরিব নিরীহ মানুষ, আমরা কোথায় যাবো?
সূত্রমতে আরো জানা যায়, সেনাবাহিনীর ৩৩ বীরের ওয়ারেন্ট অফিসার দিদারুল ইসলাম শনিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে চান মিয়ার ছেলেদের ভাঙ্গা ঘরগুলো পুনঃনির্মাণ করে দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।