1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালতের রায় পেয়েও পুকুর দখলে যেতে পারছেন না ২ সহোদর ভাই 

মনিরুজ্জামান মনির, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ
  • প্রকাশে সময় : বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৩৬ বার পঠিত

দীর্ঘ সাত বছরের আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের রায় পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের চরনারায়নপুর গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার আপন ২ ভাই রফিকুল ইসলাম ও শাহ আলম। রায়ের পরও এখনো নিজেদের পৈত্রিক জমিতে প্রবেশ করতে পারছেন না তারা।

রফিকুল ইসলাম জানান, তার বাবা আব্দুল আজিজ বৃন্দাবন শর্মা ও কমলা রঞ্জন চক্রবর্তীর কাছ থেকে ক্রয়সূত্রে ৪৩ শতক জমির মালিক হন। পরবর্তীতে সরকারি রাস্তা চলে যাওয়ায় ৪ শতক বাদে বর্তমানে তাদের মালিকানাধীন জমির পরিমাণ ৩৯ শতক। হালনাগাদ রেকর্ড অনুযায়ী, এ জমি বর্তমানে এসএ ও বিএস রেকর্ডে যথাক্রমে ২০ নং খতিয়ান ও ৭০৮ দাগভুক্ত। তার দাবি, তিনি ও তার ভাই শাহ আলম পৈত্রিক সূত্রে এই জমির বৈধ ওয়ারিশ এবং খারিজসহ সমস্ত কাগজপত্র হালনাগাদ  সঠিক রয়েছে।

তবে ২০১৭ সালে প্রতিবেশী ইউসুফ মিয়া এই জমির ওপর মালিকানা দাবি করে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া দেওয়ানি আদালত রফিকুল ও শাহ আলমের পক্ষে ৩৯ শতক জমির মালিকানা নিশ্চিত হয়ে রায় দেন। পরবর্তীতে ইউসুফ মিয়া উচ্চ আদালতে আপিল করলে ২০২৩ সালে উচ্চ আদালতও পূর্বের রায় বহাল রাখে।

কিন্তু আদালতের রায় সত্ত্বেও এখনও রফিকুল ও শাহ আলম তাদের জমিতে প্রবেশ করতে পারছেন না। রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “ইউসুফ মিয়া আমাদের কে ভয়ভীতি ও প্রাণ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলে জমিতে তোরা ঢুকতে পারবিনা।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ করলেও ইউসুফ মিয়া প্রশাসনের রায় অমান্য করে ভেকু দিয়ে আমাদের পুকুর থেকে জোরপূর্বক মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। এই বিষয়ে ইউসুফ মিয়ার সঙ্গে সরেজমিনে গিয়ে কথা বললে তিনি জানান, “আমি আমার জায়গা থেকেই মাটি কেটে রাস্তা তৈরি করছি। তারা একটি মামলার রায় পেয়েছে, তবে আমি সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেছি।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছমিউদ্দিন বলেন, আমরা দুই তিনবার গিয়েছি এবং ইউসুফ মিয়াকে বলে দিয়ে আসছি সে যেনো মাটি না কাটে, এবং কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে আমাদের নজরদারিতে রয়েছে।

মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, “আইনি প্রক্রিয়া শেষে রায় পাওয়ার পরও ভুক্তভোগীরা যদি তাদের সম্পত্তিতে ফিরতে না পারেন, তাহলে তা বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা ও নাগরিক অধিকার প্রশ্নবিদ্ধ করে।

এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

 

 

 

 

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর