1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

বরখাস্ত অধ্যক্ষ অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলছেন নিয়মিত, সুবিধা দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ

সাহেব আলী, নওগাঁ :
  • প্রকাশে সময় : শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫৭ বার পঠিত

নওগাঁর রাণীনগরে আবাদপুকুর কলেজের অধ্যক্ষ জিএম মাসুদুর রহমান জুয়েল অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন উত্তোলন করছেন। অভিযোগ উঠেছে ওই কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম তাকে এই সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন।

এছাড়া এডহক কমিটির সভাপতিরও রয়েছে যোগসাজশ। ফলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে কলেজে কর্মরত অন্যান্য শিক্ষকদের মাঝে।তবে সভাপতি জাকির দায় নিতে নারাজ। তিনি এবিষয়ে কিছু জানেন না। যার কারণে কলেজে দুই অধ্যক্ষ রয়েছে। এক অধ্যক্ষ বছরের পর বছর অনুপস্থিত থেকেও আছেন বহাল তবিয়তে। আরেক অধ্যক্ষ রয়েছে চেয়ারে। এই দুই অধ্যক্ষ হওয়ায় অন্যান্যা শিক্ষকরা রয়েছেব দ্বিধাদ্বন্দে। জানা যায়, উপজেলার আবাদপুকুর কলেজের অধ্যক্ষ জিএম মাসুদুর রহমান জুয়েল। আওয়ামী লীগের পদধারী এই অধ্যক্ষ ৫ আগষ্ট ২০২৪ সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে যায়।এরপর থেকে তিনি কলেজে অনুপস্থিত। কলেজের দাপ্তরিক কাজ চালানোর জন্য নুরুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হয়। মাসুদুর রহমান জুয়েলকে করা হয় বরখাস্ত। এরপর তিনি উচ্চ আদালতে রিট করে তার বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করে দেন। বহাল থাকেন স্বপদে। হয়ে যায় দুই অধ্যক্ষ। কিন্তু তিনি আর কলেজে আসেন না। অনুপস্থিত থেকেও তুলে নিচ্ছেন সরকারি সুবিধা বেতন। আর এই সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন অধ্যক্ষ জুয়েলের ব্যাংক ঋণের জামিনদার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম। সর্বশেষ তিনি গত মাসে বেতনের চাহিদা সিটে অনুপস্থিত অধ্যক্ষের নাম রেখেই পাঠিয়েছেন।

সরেজমিনে গেলে উঠে আসে এরকমই তথ্য। এছাড়াও কলেজে ঢুকতেই জিএম মাসুদুর রহমান জুয়েলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছিলেন ওই কলেজেরই সুবিধা বঞ্চিত কর্মচারীরা। তাদের অভিযোগ অধ্যক্ষ জুয়েল আওয়ামী লীগের সময় লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
জানতে চাইলে কলেজের প্রায় সকল শিক্ষক দ্বিধাদ্বন্দ্ব নিয়ে জানালেন, আমরা জানিনা আসলে কাকে অধ্যক্ষ স্যার মানবো। কারণ একজন বছরের পর বছর অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলছেন নিয়মিত, আরেক জন্ আছেন চেয়ারে।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, মাসুদুর রহমান জুয়েলকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরখাস্ত করেছেন। কিন্তু তিনি উচ্চ আদালতে রিট করে ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন বরখাস্তের আদেশ। অনুপস্থিত থেকে বেতন পায় কিভাবে এমন প্রশ্নের দায়সারা জবাব দিলেন। এবংবেতনসিটে তাঁর নাম পাঠানোর বিষয়ে কোন সদুত্তর দেননি তিনি। এছাড়া হাজিরা খাতা দেখতে চাইলেও তিনি দেখাননি। কলেজে এডহক কমিটির সভাপতি জাকিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি আর এক মাস দায়িত্বে আছি আমি মোবাইলে কোন বক্তব্য দিবনা।বক্তব্য আমি নাও দিতে পারি এটা আমার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।

এদিকে কলেজের ছাত্র প্রতিনিধিদেরও রাখা হয়েছে অন্ধকারে। অধ্যক্ষ জুয়েল বরখাস্তকৃত এবং কোন সুবিধা পান না বলে তাদের জানানো হয়েছে।এবিষয়ে রানীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল হাসান বলেন বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি কোর্টের একটি জবাবে আমি সই করেছি,অনুপস্থিত থেকে কিভাবে বেতন তুলছে তা কমিটির সাথে আলোচনা করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর