1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

পেরুর প্রেসিডেন্ট এক ধাক্কায় নিজের বেতন দ্বিগুণ করলেন 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • প্রকাশে সময় : শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৫ বার পঠিত

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর প্রেসিডেন্ট দিনা বলুয়ার্তে নিজেই নিজের বেতন বাড়িয়েছেন। এক ডিক্রি জারির মাধ্যমে নিজের বেতন দ্বিগুণ করে দিয়েছেন তিনি।

যদিও প্রেসিডেন্ট বলুয়ার্তে এখন দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম জনপ্রিয় অবস্থায় রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, পেরুর প্রেসিডেন্ট দিনা বলুয়ার্তে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও নিজের বেতন দ্বিগুণ করে দিয়েছেন। আর তার এই সিদ্ধান্ত সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট এখন থেকে প্রতি মাসে ৩৫ হাজার ৫০০ সোল (১০ হাজার মার্কিন ডলার) বেতন পাবেন, যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ।

পেরুর অর্থমন্ত্রী রাউল পেরেজ রেয়েস জানিয়েছেন, আঞ্চলিক অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে এই যুক্তি পেরুর সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। কারণ প্রেসিডেন্ট বলুয়ার্তের জনসমর্থন মাত্র ২ শতাংশ, যা পেরুর ইতিহাসে সবচেয়ে কম। দেশটিতে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১ হাজার ২৫ সোল (মাত্র ২৮৮ ডলার)। যার থেকে প্রেসিডেন্টের নতুন বেতন ৩৫ গুণ বেশি।

এদিকে বলুয়ার্তের বেতন বৃদ্ধিকে অনেকেই বলেছেন অমানবিক এবং মানুষের যন্ত্রণার প্রতি বধিরতার প্রকাশ। কেউ কেউ লিখেছেন, যখন মানুষ খেতে পারছে না, তখন নিজের বেতন বাড়ানো অপরাধ।

তবে তার শাসনামলে সামনে এসেছে একাধিক বিতর্ক। দামি উপহার গোপন রাখা, নাকের অস্ত্রোপচারের সময় দেশে কাউকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট না রেখে বিদেশে যাওয়ার মতো বিষয়ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। দেশে অপরাধ বৃদ্ধির বিরুদ্ধে কিছু করতে না পারার অভিযোগে তার জনপ্রিয়তাও ক্রমাগত কমছে। যদিও এই অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।

দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির সরকার বলছে, বলুয়ার্তের আগের বেতন দক্ষিণ আমেরিকার ১২টি দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ছিল। একমাত্র বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট তার থেকে কম বেতন পান।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর