1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

নওগাঁয় বিশরী পূজা অনুষ্ঠিত

সাহেব আলী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশে সময় : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৯ বার পঠিত

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বিশরী বা মনসা পূজা । প্রতিবছরের ন্যায় বাংলা শ্রাবণ মাসের শেষ তারিখে দেবত্র বিষয়ক জিম্মাদার যুগলদেবনাথ এর আয়োজনে নওগাঁর মহাদেবপুরের রোদইল গ্রামে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেদির পাশে বিভিন্ন বাহারী রঙের ১০০ ডালা সাজিয়ে এই পুজা পালন করেন রোদইল গ্রামের সনাতন ধর্মীয়রা। হিন্দু ধর্মমতে মনসা হচ্ছে সাপের দেবী।

এ দেবীর পূজা করলে ঘর-বাড়ি বিষাক্ত সাপ হতে রক্ষা পায়। মনসা পূজায় আগে প্রায় একমাস ধরে এ পুঁথি পাঠ করেনো হতো হিন্দু ধর্মালন্বীদের। সাধারণত ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল করে গানের সুর করে পুঁথি পাঠ করা হয়েছিল। গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানেও বিশেষভাবে পুঁথি পাঠের আয়োজন করা হতো। তারা দুধ-কলা ও ফলমূল দিয়ে দেবীর পূজা করেন। সাধারন সম্পাদক ধীরেন দেবনাথ বলেন দেবত্র বিষয়ক জিম্মাদার যুগলদেবনাথ এর নেতৃত্বে প্রতিবছর গ্রামের সবাই মিলে এই পুজা পালন করা হয়।

মুলত এই পুজা করা হয় ঘর-বাড়ি বিষাক্ত সাপ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য। সদস্য কমল, নিমাই বলেন জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে হিন্দু সম্প্রদায় দেবী মনসার পূজা আষাঢ-শ্রাবণ মাসে পালন করে। বর্ষার প্রকোপে এ সময় সাপের বিচরণ বেড়ে যায়, তাই সাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ভক্তকূল দেবীর আশ্রয় প্রার্থনা করে। এছাড়া ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতির জন্য সর্পদেবীর ভক্ত তার দ্বারস্থ হয়। মনসা একজন লৌকিক দেবী। তবুও তার অসাধারণ জনপ্রিয়তার কারণে হিন্দু সমাজের সকল সম্প্রদায় তাকে দেবী হিসেবে মর্যাদা দেয়।পুজা করতে আশা ৮০ বছরের মিনতি রানী বলেন শতশত বছর ধরে এই পুজা ধারাবাহিক ভাবে ডালা সাজিয়ে করে আসছি । কেউ যদি পুজায় এসে ডালা ছেড়ে যায় তাকে সাপে দংশন করবে।এজন্য পুজা শেষে সকল ডালা সতর্কতার সহিত নিয়ে যাওয়া হয়।

দেবত্র বিষয়ক জিম্মাদার যুগলদেবনাথ বলেন ৫০ এর অধিক ফলমুল ও দুধ দিয়ে এই পুজা করা হয়। আমার আয়োজনেই গত কয়েকবছর ধরে এই গ্রামে পুজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আজকে ও ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে পূজা সমাপ্ত হবে ।পুজায় লিপি রানী, সীমু সহ গ্রামের সকল পুজা ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর