1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

দেশে অ্যাক্রেডিটেড ল্যাব থাকলে কমবে বিদেশে চিকিৎসার নির্ভরতা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশে সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৫ বার পঠিত

দেশে আন্তর্জাতিক মানের সনদপ্রাপ্ত বা ‘অ্যাক্রেডিটেড’ ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি গড়ে তুলতে পারলে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের দুর্ভোগ কমবে এবং দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

রোববার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) আয়োজিত এক নীতি-নির্ধারণী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। কিন্তু দেশের ল্যাবরেটরিগুলোর পরীক্ষার ওপর পর্যাপ্ত আস্থা না থাকায় বিদেশে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা একই পরীক্ষাগুলো আবারও করান। এতে রোগীদের চিকিৎসার পেছনে বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ ও সময় নষ্ট হয়। দেশে যদি আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃত ল্যাবরেটরি বাড়ানো যায়, তবে রোগীরা দেশেই মূল পরীক্ষাগুলো করিয়ে নিতে পারবেন, যা তাদের খরচ এক ধাক্কায় অনেক কমিয়ে দেবে।

বর্তমানে দেশে ১০ হাজারের বেশি ল্যাবরেটরি থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি বা অ্যাক্রেডিটেশন রয়েছে হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি ল্যাবের। এ পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ল্যাবগুলোর ওপর এখনই জোর জবরদস্তি বা আইনি কড়াকড়ি না চাপিয়ে আগে মালিক ও পরিচালনা পর্ষদকে সচেতন করতে হবে। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকেরা যদি বুঝতে পারেন যে মান ধরে রাখলে মানুষের আস্থা বাড়বে এবং এতে তাদের ব্যবসাও লাভজনক হবে, তবে তারা নিজেরাই এ স্বীকৃতি নিতে উৎসাহী হবেন।

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নানামুখী চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে ডা. মুহিত বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মান নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি চালানো হচ্ছে। জনগণের আস্থা ফেরানোই এখন মূল লক্ষ্য। তবে শুধু হাসপাতাল বা চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে স্বাস্থ্যখাত এগোতে পারে না। খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার দিকে নজর না দিলে ক্যানসার, কিডনি কিংবা লিভারের মতো প্রাণঘাতী রোগ কমানো সম্ভব নয়।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর