
বিএনপি’র কেন্দীয় নির্বাহী কমিটির (খুলনা বিভাগ) সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু বলেছেন,বাংলাদশেরে ইতহিাস ১৯৭১ সালের ইতহিাস আমাদের জীবনে একটি স্মরণীয় ঘঁনা।
একটি হলো ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযোদ্ধা আরেকটি হলো ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার এরশাদ বেিরাধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট ফ্যাসবিাদ খুনি হাসনিার বিরুদ্বে আন্দোলন এবং এই তিনটি আন্দোলন একটি মাত্র দল ছিল মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রসেডিন্টে জিয়াউর রহমানরে নেতৃত্বে পাকস্তিানি হানাদার বাহিনীদের পরাজতি করে । ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার এরশাদ বিরুদ্বে প্রতিবাদ ও সর্বশেষ খুনি হাসনিার বিরুদ্ধে আন্দোলনে একটিমাত্র দল সক্রিয় ভূমকিা পালন করে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই দলটি হল বাংলাদশে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। হাসিনার ডিপোর্সি মেয়ে জামাই, ভাগ্নে তারা চেয়েছিল
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টম্বর) দিঘলিয়া বিএনপি’র দ্বিবার্ষিক সন্সেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২০৪১ সাল র্পযন্ত ক্ষমতায় থাকতে । কিন্তু আমরা দেশ নায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫ই আগস্ট হাসিনা পালিয়েছে শুধু পালিয়ে যাননি জনরসে ভয়ে তিনি লাপাত্তা হয়ে গিয়েছেন। আরকেটি রাজনতৈকি দল
লাফাচ্ছেন তারা বাংলাদশে জামায়াত ইসলামী দল ৭১ মানেনা ২৪ মানে। বাংলাদশেরে একমাত্র দল যারা ১৯৭১,১৯৯০ এবং ২০২৪-সালে
এ নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৭০ সালে নির্বচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করলেন দেশ স্বাধীন। সরকার গঠন করলেন করে তারা লুটপাট শুরু করতে লাগলেন লুটপাটরে কারণে ১৯৭৩ সালে দেশে দূভিক্ষ শুরু হয়ে গেলো। আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ব করলেন, সমস্ত পত্রকিাকে বাতিল করে ওনাদের মুখপাত্রের জন্য একটি মাত্র পত্রকিায় রাখলেন। সংসদে আইন পাশ করলেন বাংলাদেশে একটিমাত্র দল থাকবে তাহলো বাংলাদশে আওয়ামী লীগ। ১৯৭৫ সালে সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে মেজর জিয়াউর রহমানকে যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলেন কাজের বিনিময় খাদ্য কর্মসূচি চালু করে খাদ্যে স্বয়ংসর্ম্পূণ হলেন মানুষ তখন খাওয়া- দাওয়া শুরু করলেন। সমস্ত রাজনতৈকি দলকে উন্মুক্ত কওে দিয়ে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা এসেই হাসিনাকে ভারত থেকে এনে রাজনতৈকি করার ক্ষমতা দিলে।
১৫ বছর ৮ মাস ক্ষমতায় থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নিজ জেলা গোপালগঞ্জ সংখ্যালঘু ভাইদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। গোপালগঞ্জ সংখ্যালঘু ভাইয়েরা নির্যাতন স্বীকার হয়েছেন। সংখ্যালঘুদের ঘর-বাড়ি, জায়গা, জমি সব কিছু লুটপাট করে নিছেন শেখ হাসিনার নেতা কর্মিরা।এখন গোপালগঞ্জে সংখ্যালঘুদের ভাইদের আশংক্ষাজনক ভাবে কমে গেছে।
খুলনা বিভাগে যেখানে উন্নয়ন র্কমকাণ্ড হয়েছে সেখানে শেখ হাসিনার চাচাতো ভাইরা খুলনায় বসবাস শেখ বাড়ির এত অধিক পরিমানে ঠিকাদারের কাছ থেকে চাদা নিয়েছে যার কারনে ঠিকাদার সঠিকভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আর এ কারনে রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা। দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ সাইফুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক, জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল,এনামুল হক সজল,কামরুজ্জামান টুকু, ইকবাল শরীফ প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন আব্দুর রকিব মল্লিকের
সন্ধ্যায় দ্বিতীয় অধিবেশনে মোঃ সাইফুর রহমান মিন্টু ২৪০ ভোট পেয়ে সভাপতি, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রকিব মল্লিক ২৪ ভোট ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা নাজমুল হক ১৬০ ও মোল্লা মনিরুজ্জামান ১১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত ।