
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন দলের এক নিবেদিত প্রাণ নেতা। তার পিতা অবিভক্ত ঢাকা ৪/৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সালাউদ্দিন আহমেদের একজন যোগ্য উত্তরসূরী তিনি।উত্তরসূরি হিসেবে পথচলা শুরু করলেও তরুণ এই নেতা নিজ যোগ্যতায় ‘মাঠ কাঁপাচ্ছেন’। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও তৈরি করেছেন গ্রহণযোগ্যতা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে রেখছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন নেতা তানভীর আহমেদ রবিন।আওয়ামী লীগের গত প্রায় ১৬ বছরের দমন-পীড়ন, মামলা, হামলায় বিএনপি যতবারই পর্যুদস্ত হয়েছে, তারেক রহমান বেছে নিয়েছেন তানভীর আহমেদ রবিন এর মতো তরুণদেরই। আনকোরা, অনভিজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ায় সমালোচনা হলেও তিনি হাল ছাড়েননি। এমনকি সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের আগে আন্দোলন তুঙ্গে তুলেও ব্যর্থতার পর বিএনপির নেতৃত্বে আনেন অনেক তরুণকে।
গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জাতীয় রাজনীতিতে এই তরুণদের মধ্যেই এখন ভবিষ্যৎ দেখছে বিএনপি। পারিবারিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করার সদিচ্ছার প্রমাণও দিচ্ছেন তারা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাখছেন সাংগঠনিক দক্ষতার ছাপ।এমনি এক তরুণ নেতা তানভীর আহমেদ রবিন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির রাজনীতিতে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তিনি।
তানভীর আহমেদ রবিন ঢাকা-৪আসনে বিএনপির রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। বিএনপির রাজনীতিতে গত দেড় দশক ধরে রাজপথে ছিলেন জাতীয়তাবাদী শক্তির ধারক ও বাহক।গত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সকল আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথের এক অকুতোভয় সিপাহসালার।
গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর চাঁদাবাজি ও মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর ভূমিকা রেখে চলেছেন।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এলাকায় যাতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, জমি দখল, সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে না পারে সেজন্য তিনি অনলাইন এ্যাপস চালু করেছেন। সেখানে পরিচয় গোপন রেখে যে কেউ অভিযোগ জানাতে পারছেন।তার মতো ভদ্র, পরিচ্ছন্ন, ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক ব্যক্তি কালেভদ্রে খুব কমই জন্মায়।