1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে ,শ্বশুর ও দেবর পলাতক

সোহেল রানা, টাঙ্গাইল :
  • প্রকাশে সময় : শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
  • ৯৯ বার পঠিত

টাঙ্গাইলে সুর্বনা আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ^শুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খারজানা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সদর উপজেলার বড় বিন্যাফৈর এলাকার মো. সুজনের মেয়ে সুর্বনা আক্তার।

শুক্রবার সকালে নিহতের শ্বশুরবাড়ি খারজহানা গ্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়, প্রায় ১ বছর ৩ মাস আগে পারিবারিকভাবে আয়নাল হকের সাথে সুর্বনা আক্তার বিয়ে হয়। কিন্ত আয়নালের সাথে তার খালাতো বোনের প্রেমের সম্পর্ক থাকায় তাদের সংসারে পারিবারিক কলোহ লেগেই থাকতো। বিয়ের ৪ মাস পর আয়নাল হক সিঙ্গাপুর চলে যায়। মাঝে মাঝে দেবর, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি সুর্বনার উপর অত্যাচারও চালাতেন। বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুর আজমত ফোন করে জানায় সুবর্নার হার্টএটাক হয়েছে এবং স্বামী আয়নাল জানায়, সুবর্না গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এ সংবাদ পেয়ে পরিবারের লোকজন খারজানা গ্রামে গিয়ে দেখতে পান সুবর্নার লাশ বাড়ির উঠানে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে সেখানে তার শ্বাশুড়ি ছাড়া আর কাউকেই বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তাদের ধারণা সুবর্নাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালানো হচ্ছে।

নিহতের চাচা ফয়সাল মিয়া বলেন, সুর্বনা আক্তার বাবা বিদেশ যাওয়ার পর থেকে আমাদের সাথে থাকতো। ছোট বেলা থেকে তাকে বড় করেছি। বিয়েও দিয়েছি। বিয়ের ৪ মাস পর থেকে শ^শুর বাড়ির লোকজন সুর্বনাকে অত্যাচার করতো। শ^শুর বাড়ির লোকজনই সুর্বনাকে হত্যা করেছে। আমি তার বিচার চাই।

এ বিষয়ে কাগমারি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর থেকে নিহতের শ্বশুর ও দেবর পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর