1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল হতে হবে: চসিক মেয়র

অনলাইন ডেস্ক :
  • প্রকাশে সময় : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬১ বার পঠিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গু যোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, তাদের সম্মান, পুনর্বাসন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। তারা যেন মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরদের মতোই জাতির সম্মানিত আসনে অধিষ্ঠিত থাকেন।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে নগরের কাজীর দেউরী সেনা কল্যাণ কনভেনশন সেন্টারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। শহীদ পরিবারের সদস্যদের এ সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’।

চসিক মেয়র বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন ছিল না। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, নারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। তাই আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং শহীদ ও আহতদের সম্মান রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে ছাত্রদের সামনের সারিতে রেখে পেছন থেকে সহযোগিতা করা হয়েছিল, যেন আন্দোলনকে কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করা না যায়। তবে, আন্দোলনের প্রতিটি পর্যায়ে নেতাকর্মীরা রাজপথে ছিলেন এবং আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধদের দেখতে এবং শহীদদের মরদেহের খোঁজ নিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেতে হয়েছে। সে সময় চিকিৎসকদের ভূমিকাও ছিল প্রশংসনীয়।

জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, আহত, পঙ্গু ও দৃষ্টিশক্তি হারানো যোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে। এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, তাদের সম্মান, পুনর্বাসন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। তারা যেন মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরদের মতোই জাতির সম্মানিত আসনে অধিষ্ঠিত থাকেন।

মেয়র আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব কোনো একক রাজনৈতিক দলের নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম। নতুন বাংলাদেশ গড়তে সেই ঐক্য ধরে রাখতে হবে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নগর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন কাজ করছে এবং এ লক্ষ্য অর্জনে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের আন্দোলন, ত্যাগ ও নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

অনুষ্ঠানে ১২টি শহীদ পরিবারের সদস্য এবং ১১০ জন আহত জুলাই যোদ্ধাকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এছাড়া, শহীদ ফয়সাল শান্তের বাবা, ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ চট্টগ্রামের সভাপতি ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম আবির এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের কয়েকজন বক্তব্য দেন।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর