1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

চুয়াডাঙ্গায় কৃষিজমিতে পাওয়া ৭টি ল্যান্ডমাইন দীর্ঘ এক মাস পর নিস্ক্রিয় করা হলো

রিফাত রহমান, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
  • প্রকাশে সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৮ বার পঠিত
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা গ্রামে কৃষিজমির মাটির নিচে পাওয়া ৭টি শক্তিশালী ল্যান্ডমাইন অবশেষে এক মাস পর নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
আজ ২৮ মার্চ (শনিবার) বেলা ১টার পর যশোর সেনানিবাসের  বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের প্রধান ক্যাপ্টেন রিফাত এর নেতৃত্বে  ন্যান্ডমাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।  শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) কৃষক সাইফুল তার জমিতে সেচ দেয়ার জন্য নালা খনন করতে গিয়ে মাইনগুলো দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। এর পর থেকে পুলিশ সেগুলো পাহারা দিচ্ছিল। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এসব ল্যান্ডমাইন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানি বাহিনী ব্যবহারের জন্য এনেছিল। যুদ্ধ শেষে পাকিস্তানি বাহিনী যখন বাংলাদেশ ত্যাগ করে, তখন তারা এগুলো পুঁতে রেখে ছিল।
এ বিষয়ে স্থানীয় আব্দুল লতিফ বিশ্বাস ও মাখালডাঙ্গা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বলেছেন, “ল্যান্ডমাইনগুলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের। সে সময় বহু পাকিস্তানি সৈন্য মাখালডাঙ্গা গাড়াবাড়িয়া ও দিননাথপুর এলাকায় যুদ্ধ করত। যুদ্ধ শেষে তারা চলে যাওয়ার সময় হয়ত ল্যান্ডমাইনগুলো পুঁতে রেখে গেছে। গাইদঘাট গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল ইসলাম জানিয়েছেন,পাকিস্তানি বাহিনী বড় বড় ব্রিজ-কালভার্ট, ট্রাক, ট্যাংক ধ্বংস করতে এসব ল্যান্ডমাইন ব্যবহার করত। যুদ্ধের পর প্রায় ৫৫ বছর পার হতে যাচ্ছে। মাইনগুলো হয়ত আগের মতো শক্তিশালী অবস্থায় নেই। তবে, মাইনগুলোর গায়ে হলুদ রঙের লেখা স্পষ্ট ও অবয়ব নতুনের মতনই আছে।
চুয়াডাঙ্গা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মীর্জা শহিদুল ইসলাম জানান,ধারণা করা হচ্ছে  ল্যান্ডমাইনগুলো ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীদের ফেলে রেখে যাওয়া। যশোর ৫৫ পদাতিক সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিডিটি’র ১০ সদস্যের একটি দল এসে ৭টি স্থল বোমা নিস্ক্রিয় করেছে।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘ এক মাস পাহারা দেয়ার পর সেনাবাহিনীর দল এসে মাইনগুলো নিস্ক্রিয় করায় আমরাও স্বস্তি পেলাম এলাকার মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক ছিল তা কেটে গেল।
Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর