চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৭২০ হেক্টর, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ২২০ হেক্টর, দামুড়হুদা উপজেলায় ৭৩৯ হেক্টর ও জীবননগর উপজেলায় ৬২৫ হেক্টর জমিতে আম উৎপাদন হয়েছে। জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩০ হাজার ৮১০ মেট্রিকটন।
১৬ মে ২ জ্যৈষ্ঠ থেকে আঁটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের, ২৪ মে ১০ জ্যৈষ্ঠ থেকে হিমসাগর, ৩০ মে ১৭ জ্যৈষ্ঠ থেকে ল্যাংড়া, ১০ জুন ২৭ জ্যৈষ্ঠ আম্রপািলি (বারি আম-৩), ১৫ জুন ১ আষাঢ় থেকে ফজলী জাতের , ১ জুলাই ১৭ আষাঢ় থেকে আশ্বিনা / বারি-৪ জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড.কিসিঞ্জার চাকমা ও চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা যৌথভাবে জানান, কোন অবস্থাতে বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপরিপক্ক আম পাড়া যাবেনা। এছাড়া আম পাকানো ও সংরক্ষণের জন্য কোন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা যাবেনা। তাছাড়া অবৈধ প্রক্রিয়ায় আম পাকানো হলে বা পাকানোর উদ্দেশ্যে মজুদ করা হলে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন -২০০৯’ এবং ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুয়ায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, জেলা ব্যাপী আম সংগ্রহের যে সূচিটি দেয়া হয়েছে তার বাইরে কেউ অপরিপক্ষ আম পাড়তে পারবে না। কেউ যদি এর ব্যপ্তয় ঘটায় তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।