1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

আসন্ন ঈদুল আজহা মহাসড়কে চাঁদাবাজি অনেক কম হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শরীফ আহমেদ প্রতিবেদনঃ
  • প্রকাশে সময় : বুধবার, ১২ জুন, ২০২৪
  • ৯৫ বার পঠিত

আসন্ন ঈদুল আজহায় মহাসড়কে চাঁদাবাজি অনেক কম হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় পুলিশ ফিটনেসবিহীন গাড়ি চেক করার জন্য সড়কে থামায়। গাড়িতে অবৈধ কিছু নিয়ে যাচ্ছে- এমন মনে করলে পুলিশ গাড়ি থামায়। এটা কোনো চাঁদাবাজির অংশ নয়। এটা নিয়মিত চেকিংয়ের বিষয়। চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে, পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতারাও চাঁদাবাজির বিষয়ে খেয়াল রাখছেন। আমরা আশা করি, এবার ঈদুল আজহায় চাঁদাবাজি অনেক কম দেখবো।

মঙ্গলবার (১১ জুন) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে হাইওয়ে পুলিশের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা মহাসড়কে চাঁদাবাজি অ্যাল্যাও করি না। কোন স্টেশনে কত টাকা সার্ভিস চার্জ দেবে সেই তালিকা পরিবহন সেক্টরের নেতারা আমাদের দিয়ে দেন। এর বাইরে গেলে তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যেতে বলেন। আমরা সেই তালিকা প্রধান্য দিয়ে থাকি। স্বরাস্ঠ মন্ত্রী বলেন, তাদের সার্ভিস চার্জ নির্দিষ্ট স্থান থেকে নেওয়া হোক। নির্দিষ্ট স্থান থেকে না নেওয়ায় পুলিশও বিব্রত হয়। অনেকে মনে করে চাঁদাবাজি হচ্ছে।

এর আগে হাইওয়ে পুলিশের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের মূল কাজটি হলো সড়ক নিরাপদ রাখা। মানুষের শরীরে যদি রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় তবে মানুষ বিকল হয়ে পড়বে। তেমনই সড়কে যদি পরিবহন ঠিকভাবে চলে তাহলেই ব্যবসা-বাণিজ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকবে। নৌপথে নিরাপত্তার জন্য গঠন করা হয়েছে নৌ-পুলিশ, হাইওয়ে নিরাপদ রাখতে করা হয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। প্রয়োজনীয় আইনও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আমি মনে করি, সবাই যদি আইন মেনে চলে তবে কাউকে আর জরিমানা দিতে হবে না।

তিনি বলেন, মহাসড়কে নসিমন-করিমন চলাচলের বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা চাই অবৈধ কোনো যান যেন মহাসড়কে না আসে। মহাসড়ক যেন নিরাপদ থাকে সেজন্য আমরা কাজ করছি। আমাদের হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে।

Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর