
জুলাই আগষ্টের বৈশম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে আহত সিয়ামকে এক মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে। একই মামলায় আসামী করা হয়েছে ৭০ বছর বয়সী এক সাংবাদিক সহ ৬৪ জনকে। প্রত্যেক আসামীকে যুবলীগ নেতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ গঠনা মধাবদী পৌরসভার বিরামপুর মহল্লায়। মামলার বাদী নুরুল আমিন মজুমদার স্থানীয় হেলাল মিয়র বাড়ির ভাড়াটিয়া।বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ বিভিন্ন ধারায় করা এ মামলা দায়েরের পর জন মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার বিবরনিতে গঠনার তারিখ দেখানো হয়েছে ৪ আগষ্ট বিকাল ৪ টায়। গঠনা জানতে বাদীর ভারা বাসা বিরামপুর মহল্লয় গিয়ে দেখা যায় অক্ষত একটি বাসা। বাদীর খোঁজ নিলে বাসা থেকে বের হয়ে আসে জায়েদা বেগম। নিজকে বাদী স্ত্রী ও ৪নং স্বাক্ষী হিসেবে পরিচয় দেন। এ মামলার ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি জানান শেখেরচর গ্রামের কয়েক জনের সাথে জমি নিয়ে বিরোধের কারনে মামলা করেছেন তার স্বামী। বোমা হামলা ও বাসায় হামলার বিষয়টি অসত্য বলে জানান। এক প্রশ্নের উত্তরে জায়েদা জানান ৬৪ জনকে কেন আসামী করা হয়েছে এসর্ম্পকে তিনি কিছু জানেন না। মধাবদী থানা পুলিশের সাথে কথা বললে ওসি তছলিমউদ্দীন জানান নথি থানায় আসলে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ ব্যপারে নরসিংদী প্র্রেসক্লাব, মধাবদী প্রেসক্লাব, এন এস পির সাধারন সম্পাদক এম এ আউয়াল নিন্দা ঞ্ছাপন করে অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারে দাবি জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্থে একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিবেদককে জানান ইতপুর্বে মজুমদার পলাশ, নরসিংদী উপজেলার মোড় ও টাটা পাড়া মহল্লা থেকে ভুয়া মামলা করে নিরিহ লোকদের কাছথেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়ার অপরাধে গনপিটুনি খেয়ে ঐসব এলাকা ছেরেছেন।