1. admin@bdtimes24.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চাইলেন জামায়াত আমির সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রুখতে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ স্বপ্নের ফ্ল্যাটের প্রত্যয়ে স্বপ্ন শহর প্রোপার্টিজের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কানাডায় জমজমাট প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই গেট-টুগেদার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড বৈঠক অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংকের এএলএম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাইবার আক্রমণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বুটক্যাম্প সোনার বাংলা গড়ার নামে পরিবেশ বিপর্যয়: সাভারের কামালপুরে বন ও কৃষিজমি গিলে খাচ্ছে তথাকথিত রিসোর্ট বিএনপির ট্যাগ নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টে নতুন বার্তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত: ডেপুটি স্পিকার

অন্ধকার বিচ’আতঙ্ক নেই বীচ কমিটির পদক্ষেপ 

মো. মনিরুজ্জামান:
  • প্রকাশে সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৯৯ বার পঠিত
পর্যাপ্ত আলো ও সিসি ক্যামেরার অভাবে কক্সবাজারের জনপ্রিয় বিচগুলো এখন পর্যটকদের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় পরিস্থিতির অবনতি হয়, যেখানে ছিনতাই, জিনিসপত্র হারানো, এমনকি অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হচ্ছেন পর্যটকরা। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে পারে।
আলোর অভাব ও নিরাপত্তার ঘাটতি পর্যটকদের অভিযোগ, বিচে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। সন্ধ্যা নামলেই পুরো এলাকা অন্ধকারে ঢেকে যায়, যা অপরাধীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। একই সঙ্গে, নেই পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরার নজরদারি। এর ফলে ছিনতাইকারী ও অপরাধীরা নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, বেশ কয়েকবার প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হলেও পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি।
পর্যটকরা দ্রুত জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে বিচ এলাকায় আরও বেশি সিসি ক্যামেরা এবং লাইটিং স্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন। তাদের মতে, এটি কেবল পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়াবে না, বরং পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সজিব  বলেন, “যদি বিচ এলাকায় পর্যাপ্ত লাইট না লাগানো হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।” তিনি আরও বলেন সন্ধ্যা ৭ টার পর ইনানী বিচে আর নামা জায় না আমরা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
ঘুরতে আসা পর্যটক আজিজুল হক বলেন, জিনিসপত্র হারালে বা ছিনতাইয়ের শিকার হলে তাদের কাছ থেকে তেমন কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। প্রায়শই মোবাইল, মানিব্যাগ, বা ভ্যানিটি ব্যাগ হারালেও তা উদ্ধারের কোনো প্রচেষ্টা চোখে পড়ে না কক্সবাজার থানা পুলিশের।
ভুক্তভোগী পর্যটক রফিক আহমেদ বলেন, “আমরা বেড়াতে এসেছিলাম, কিন্তু এখানে নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই। আমার মোবাইল ছিনতাই হয়েছে, কিন্তু থানার পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসন থেকে কোনো সাহায্য পাইনি। সিসি ক্যামেরা থাকলেও তা কোনো কাজে আসে না।
আরেক ভুক্তভোগী সায়লা বেগম বলেন, “আমার ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাই হয়েছে। যখন তথ্য  কেন্দ্রে গেলাম, তারা জানালেন সিসি ক্যামেরা নষ্ট বা কাজ করছে না। এতে মনে হয়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।”
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও বীচ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন,পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। আমরা সিসি ক্যামেরা ও লাইটিং ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে।
Facebook Comments Box

এই জাতীয় আরও খবর