শুক্রবার, ১৪ জুন কর্মকর্তাদের জন্য ‘সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা এবং হয়রানি প্রতিরোধ’ নিয়ে একটি ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি (ডিআইজি) আমেনা বেগম সাইবার অপরাধ থেকে কর্পোরেট পেশাজীবীদের বিশেষ করে নারীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে ঘণ্টাব্যাপী এই ভার্চুয়াল সেশন পরিচালনা করেন। তিনি একজন সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রটেকশন ও প্রটোকলের দায়িত্বে আছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের (বিপিডব্লিউএন) সভাপতি।
বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) খালেদা বেগম সেশনেটি পরিচালনা করেন। ১৬ মে ২০২৪ অনুষ্ঠিত এ সেশনে ব্যাংকের এক হাজারের বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন।
ওয়েবিনারের উদ্দেশ্য হলো পেশাদার এবং কার্যকর উপায়ে কর্মক্ষেত্রে এবং ব্যক্তিগত জীবনে জালিয়াতি এবং হয়রানি মোকাবেলায় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার বার্তা প্রচার করা।
সাইবার সচেতনতা সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব হিউম্যান রিসোর্সেস আখতারউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি আজকের যুগে কর্মকর্তাদের বিশেষ করে নারীদের অনলাইনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য এই ধরনের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, সম্ভাব্য ঝুঁকি কমিয়ে ডিজিটাল জগতে এটি তাদের সহায়তা করবে।”
তিনি আরো বলেন, “আমাদের সহকর্মীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য আমাদের একটি সেইফ গার্ড পলিসি আছে। এই ডিজিটাল যুগে, কর্পোরেট পেশাদারদের সাইবার সুরক্ষা বিষয় এবং গোপনীয়তা এবং তথ্যের পবিত্রতার গুরুত্ব জানা উচিত। এটি এমন একটি বিষয় যা আমাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাদার জীবনকে প্রভাবিত করে।”
কর্মশালার বিষয়গুলো সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত সচেতনতা এবং সাধারণ ভুল, যেমন— পাসওয়ার্ড শেয়ার করা, প্রতারণামূলক কোনোকিছুতে ক্লিক করা, অপরিচিতদের সাথে যোগাযোগ তৈরি করা ইত্যাদির ওপর ফোকাস করে। প্রশিক্ষকগণ সাইবারস্পেইসে ভুক্তভোগী নারীদের সাহায্য করার জন্য সরকারি সহায়তার উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করেন।
এই সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা কর্মসূচি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান পুলিশ (সিএমপি) কর্তৃক নারীদের জন্য পুলিশ সাইবার সহায়তা (পিসিএসডব্লিউ)-এর অংশ। এটি একটি ফেসবুক-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর পরিচালনা করে। এটি সমস্ত অভিযোগের জন্য আইনের আলোকে যথাযথ নির্দেশিকা এবং সেবা প্রদান করে