বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ময়মনসিংহ নগরীতে নিহত শহীদ রেদোয়ান হাসান সাগরের প্রথম শাহাদাতবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় স্মরণ করেছে প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
শনিবার নগরীর সিকে ঘোষ রোড মহিলা কলেজের সামনে শহীদ সাগর চত্তরে প্রথমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিনা আক্তার। পরে একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম, পুলিশ সুপার কাজি আখতার উল আলম, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এসময় সাগরসহ গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সকল হত্যাকান্ডের বিচার দ্রæত শেষ করার তাগিদ দেন। এর আগে শুক্রবার রাত বারোটা এক মিনিটে মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে শহীদ সাগর চত্তরে শ্রদ্ধা, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও দোয়া করা হয়।
এই দিনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অসুস্থ স্বজনের খোঁজ খবর নিয়ে বাসায় ফেরার পথে আওয়ামী লীগ ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পড়ে গুলিতে বুক ঝাঁঝরা হয়ে প্রাণ হারান রেদোয়ান হোসেন সাগর (২৪)। শহীদ রেদোয়ান হোসেন সাগর নগরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকার আসাদুজ্জামান মিয়ার ছেলে। সে জেলার ফুলবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজে অনার্স চতুর্থ বর্ষে পড়াশোনা করত।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সদস্য সচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস বলেন, ১৯ জুলাই ময়মনসিংহের ইতিহাসে এক কালো দিন। সেদিন আমাদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনকে দমাতে গিয়ে সাগরকে শহীদ করা হয়েছিল। সাগরের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। তার আত্মত্যাগ আমাদের বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার লড়াইয়ে প্রেরণা যোগাবে।