সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সাদেকুল ইসলাম সাচ্চু দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার পরিচয়ের আড়ালে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তার অফিস থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে: ইয়াবা ট্যাবলেট ৬৮৫ পিচ ফেনসিডিল ৪৫ বোতল ফেনসিডিলের খালি বোতল ৭৩ টি একটি ল্যাপটপ, একটি ডিজিটাল ক্যামেরা দুটি সিপিইউ মাদক বিক্রির নগদ অর্থ ২৭,৫২০ টাকা। এই ঘটনায় আশুগঞ্জে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকটি স্থানীয় গণমাধ্যম রহস্যজনক কারণে এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় সাংবাদিক মহলে পরিচিত হওয়ায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
ঘটনার পরপরই আশুগঞ্জ প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে এক জরুরি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাদেকুল ইসলাম সাচ্চুকে সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিষয়টি ক্লাবের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানানো হয়েছে।সচেতন মহল মনে করছেন, অপরাধীর পরিচয় যাই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা জরুরি। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এই বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বিল্লাল হোসেন বলেন, আশুগঞ্জ থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের কে কোর্ট হাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।