প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ১, ২০২৬, ৪:০৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১, ২০২৫, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
ফ্যাসিবাদের আইন পুনরায় জারি করা হলে সারাদেশ অচল করার হুমকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিবহন নেতাদের
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বাস ও ট্রাকের ইকোনমিক লাইফ টাইম বাতিলের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন করেছে জেলা বাস-ট্রাক মালিক শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কের পাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাউতলী মোড়ে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা বাস ও ট্রাক মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।
জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন জমসেদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, মোঃ হানিফ মিয়া এবং লোকাল বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নিয়ামত খাঁন সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মানবন্ধনে জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ মিয়া বলেন, গত ২০২৩ সালে তৎকালীন সরকার সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ নামে সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছিল। সেখানে বলা ছিল একটি বাস ২০ বছর চলাচলের পর এবং একটি ট্রাক ২৫ বছর চলাচলের পর আর রাস্তায় চলাচল করতে পারবে না। সে বিষয়টি আমরা সে সময়ে প্রতিবাদ করার পর সেটি স্থগিত করা হয়েছিল। বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকার দেশ সংস্কারের নামে কাজ করছে, কিন্তু আমাদের বক্তব্য হচ্ছে ফ্যাসিবাদ বিদায়ের পর আবারো কেনো ফ্যাসিবাদের আইন জারি করা হল। এ সময় তিনি প্রধান উপদেষ্টা ও যোগাযোগ উপদেষ্টাকে এই আইন সংশোধন করার দাবি জানান। অন্যথায় সারাদেশ অচল করে দেয়ার হুমকি দেন।
জেলা লোকাল বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিয়ামত খাঁন বলেন, আমাদের পরিবহনের পূর্বের যে নিয়মনীতি ছিল, জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক সড়ক পরিবহন কমিটি (আরটিসি'র) অনুমতি সাপেক্ষে ২০ বছর পর জেলার আঞ্চলিক সড়কে গাড়ীগুলো চলাচল করার অনুমতি ছিল। হঠাৎ করে যদি ২০ লাখ গাড়ীর মধ্যে ১৪ লাখ গাড়ী বাতিল করা হয় তাহলে কি অবস্থা হবে সেটা কি কেউ ভেবেছে? আমরা নতুন প্রজ্ঞাপনের স্থগিত চাই এবং পূর্বের যে নিয়মনীতি ছিলো সেটি মেনে আপনারা প্রজ্ঞাপন তৈরী করবেন। তাহলেই পরিবহনে শিথিলতা আসবে। অন্যথায় আমাদের এই আন্দোলন পর্যায় ক্রমে ঘনীভূত হয়ে সারা দেশের ২০ কোটি মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।
বক্তারা প্রধান উপদেষ্টা ও যোগাযোগ উপদেষ্টাকে এই আইন সংশোধন করার জন্য দাবি জানান। অন্যথায় সারাদেশ অচলের হুমকি দেন পরিবহনের মালিক শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
Copyright © 2026 বিডি টাইমস. All rights reserved.