আসছে ঈদুল আযহা সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা পশুহাটের ব্যবস্থাপনা নিয়ে জেলার সকল হাট ইজারাদার ও খামারী এবং পশু ব্যবসায়ীদের সাথে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার (২০ মে) বিকাল সাড়ে ৪টায় মতবিনিময় করছেন পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা।
এদিন রাত সোয়া ৮টায় সংবাদকর্মীদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় পুলিশ সুপার জানান, আসছে ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন পশুহাট ইজারাদার, খামারী ও ব্যবসায়ীদের সাথে সুবিধা-অসুবিধার কথা মনযোগ দিয়ে তিনি শোনেন এবং সমাধানের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ ও উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি হাট ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য পশুহাটের ইজারাদারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নিদের্শনা দেন। নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে হাটে এবং হাট সংশ্লিষ্ট খাবারের হোটেল ও হাট মালিকের ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, অজ্ঞান ও মলম পার্টি সম্পর্কে মাইকিং করা, যত্রতত্র হাটে ভ্রাম্যমাণ হোটেল না বসানো, পশুহাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ সুষ্ঠুভাবে করা।
এক হাটের পশু বোঝাই ট্রাক জোর পূর্বক অন্য হাটে না নামানো, হাটের নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে অথবা মানুষের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পশু না রাখা, বাজার কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত পোষাকে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখা, বাজারে পর্যাপ্ত লাইটিং ব্যবস্থা রাখা এবং খাজনার তালিকা দৃশ্যমান স্থানে টাঙিয়ে রাখা, জনসচেতনতামূলক ব্যানার-ফেস্টুন ঝুলানো, স্থানীয় থানার অফিসার ইনচার্জদের সাথে সমন্বয় রেখে হাটে পুলিশ কন্ট্রোলরুম রাখা এবং বড় ব্যবসায়ীদের বেশী পরিমান টাকা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগীতা নেয়া, পশুহাটে পর্যাপ্ত জালনোট সনাক্তকরণ মেশিন রাখা, চাঁদাবাজী রোধ, পশুহাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের হয়রানি বন্ধ রোধ এবং তাৎক্ষণিক পুলিশী সেবা গ্রহণের জন্য হাট এলাকার দৃশ্যমান স্থানে জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট অফিসার ইনচার্জ ও কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের সরকারী মোবাইল ফোন নম্বর সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানোর নির্দেশনা দেয়া হয়।
মতবিনিময় সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, জেলার ৫টি থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ডিএসবি, পশুহাটের ইজারাদারগণ ও ডেইরী ফার্মের মালিক ও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন