নারায়ণগঞ্জের একসময়ের ক্ষমতাধর নেতা, যে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা কালীন সময়ে বিগত ১৭ বছর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সস্তাপুর এলাকার মাহবুবুল হক টগর প্রকাশ্যে!জানা যায় সন্ত্রাসী টগর নারায়ণগঞ্জ গডফাদার মাফিয়া শামীম ওসমানের খুবই আস্হাভাজন একজন ব্যবসায়িক পার্টনার।
গডফাদার শামীম ওসমান তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলখানার খাবার সাপ্লাাইয়ের ঠিকাদারি ব্যবসাটা এককভাবে করতে দিয়েছিলেন। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে তিনি খাবারের পাশাপাশি নানা রকম মাদকও জেলখানায় পাচার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়াও সস্তাপুর এলাকার জমি ভরাট, জমি দখল, ডিশ-ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যান তিনি। তবে গত ৫ এ আগস্ট এর পরে তাকে এলাকায় খুব একটা দেখা যায় নি, অনেকের ধারনা টগর ২০০১ সালের মতো ফের লাপাত্তা হয়েছে। তবে লোকের এই ধারনা পাল্টে দিয়েছে টগর নিজেই, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ সালে তাকে বন্দরে কিংবদন্তি ফুটবলার মুন্নার মৃত্যু বার্ষিকী পালন করতে দেখা যায়।বিভিন্ন গন মাধ্যমে সেই সংবাদ প্রকাশিত হয়।
তাহলে কি টগর এখনো নারায়ণগঞ্জের বন্দরেই রয়েছে? অথচ অভিযানে বন্দর থানা চিটে পুটি দিয়ে ভরে যাচ্ছে। ধরা পড়ছে না রাঘববোয়ালারা। বরং তারা মাথা চাড়িয়ে দাবিয়ে বেড়াচ্ছে৷ কি করতে চাচ্ছে টগর ফের কি এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা? নাকি দল পাল্টিয়ে বি এন পিতে নাম লিখানোর পাঁয়তারা করছে তা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিকার সৃষ্টি হয়েছে।