বীর মুক্তিযোদ্ধাগনের সর্ববৃহৎ সংগঠন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, অফিসার্স ক্লাব, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, নকলা ইয়্যুথ টিচারর্স এ্যসোসিয়েশন, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড, রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে- আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, মৎস্যজীবী লীগ ও ছাত্রলীগসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠন; স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মধ্যে- বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ নকলা উপজেলা শাখা, আমাদের নকলা, প্রবীণ ও প্রতীবন্ধী হিতৈষী সংস্থা, ভূরদী কৃষিপণ্য উৎপাদক কল্যাণ সংস্থা, মানব সেবা সংস্থা, সমাজসেবা সংস্থা, সমাজ উন্নয়ন সংঘ, সার-বীজ ডিলার এ্যাসোসিয়েশন, নকলা প্রেসক্লাব, নকলা ইয়্যুথ রিপোর্টার্সক্লাব, উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, ঔষুধ ব্যবসায়ী সমিতি, ডায়াগনোস্টিক মালিক সমিতি ও সর্বসাধারণসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত অগণিত সংগঠন।
এসব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগন নিজ নামে স্বাক্ষর করে আলাদাভাবে লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যার অনুলিপি সদয় অবগতির জন্য মহান জাতীয় সংসদ উপনেতা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর-অধিপ্তর, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
এর আগে এসব সংগঠনের আলাদা আলাদা ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও হেয়প্রতিপন্ন মূলক খবরের প্রেক্ষিতে ১০ মার্চ রবিবার তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক স্বপ্রণোদিত হয়ে ঘটনার তদন্তে আসেন এবং ২ এপ্রিল শুনানির জন্য ইউএনওকে তথ্য কমিশনে ডাকা হয়। তিনি প্রকৃত ও সত্য ঘটনাকে উদঘাটনের স্বার্থে সঠিক মতামত প্রদানে আগ্রহী স্থানীয় রাজনৈকি নেতৃবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ভুক্তভোগী, এলাকাবাসী, সাংবাদিক ও সংশিষ্টদের মতামত না নিয়ে একতরফা ভাবে নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে অজ্ঞাত কারনে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন! যা উপজেলাবাসী কোনক্রমেই মেনেনিতে পারছেন না, মানার কথাও নয়। তথ্য কমিশনের এহেন সুপারিশে উপজেলাবাসী হতাশ। তাই উপজেলার সকল সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন, সাংবাদিক সংগঠনসহ অগণিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সর্বসাধারণ লিখিত আকারে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৫ মার্চ মঙ্গলবার স্বঘোষিত কথিত সাংবাদিক শফিউজ্জামান রানা কর্তৃক অশৃঙ্খল আচরণ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে ন্যাক্কার জনক ব্যবহার করা ও জেলা পরিষদের এক সদস্যের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরন করায় ও রানার স্বভাবগত কারনে উপজেলা প্রশাসনের এক নারী কর্মচারীর সাথে অসৌজন্য মূলক আচরন করে এবং ফাইলপত্র নিয়ে টানাটানি শুরু করে। এমতাবস্থায় রানার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। কিন্তু একটি দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক প্রকৃত ঘটনা না জেনে, হয়তোবা তাদের ভিউ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ‘তথ্য চাইতে গিয়ে সাংবাদিক জেলে’ এমন চটকদার অসত্য শিরোনামে খবর প্রকাশ করে। যা প্রতিটি সাংবাদিকদের মনে-প্রাণে দাগকাটা স্বাভাবিক। অথচ ঘটনার দিন রানা কর্তৃক তথ্য চাওয়া-পাওয়া সংশ্লিষ্ট কোন বিষয় ছিলোনা।
ঘটনার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত অসত্য ও মনগড়া সংবাদের প্রেক্ষিতে তথ্য কমিশন কর্তৃক একতরফা তদন্তের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া উম্মুল বানিন-এঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক বলে নকলাবাসী মনে করছেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে যদি ইউএনও বা এসিল্যান্ড এর বিরুদ্ধে কোন ধরণের বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, তবে তা হবে মিথ্যার নিকট সত্য পরাজয়। ফলে পরবর্তীতে চাঁদাবাজি ও হলুদ সাংবাদিকতার কারণে নকলা উপজেলায় ভবিষ্যতে সরকারের নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিঘ্নসহ স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সর্বসাধারণ।
তাই তথ্য কমিশন কর্তৃক নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ অযৌক্তিক ঘোষণা করাসহ নিঃশর্তে তা নিষ্পত্তি করার জোর দাবী জানিয়েছেন উপজেলার সকল সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও উপজেলায় কর্মরত সকল সাংবাদিকসহ অগণিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও উপজেলার সর্বস্তরের জনগন। নতুবা বিষয়টি নিয়ে উপজেলার সব পেশাশ্রেণীর জনগণ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়াসহ দেশের সর্বোচ্চ কর্তার সরনাপন্ন হবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।