আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির তৃণমূলের নেতা মো. সামসুল আলম এখন নির্বাচনী মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তারেক রহমানের রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের বার্তা পৌছে দিচ্ছেন এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আশা প্রকাশ করেছেন।
দুইবারের নির্বাচিত হয়েছেন সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুল আলম। দীর্ঘদিন বিএনপির তৃণমূল রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের সময় পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। গত ১৭ বছরে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। স্বৈরাচার হাসিনা কে নামাতে ২০১১,থেকে ২০২৪ সালের ৫ ই অগাষ্ট পর্যন্ত আন্দোলন ও সংগ্রামে ছিলেন।এসব আন্দোলনে সিলেট টু কুমিল্লা সড়কের মিরপুর, মাধবপুর এলাকায় ছাত্র জনতা নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় রাস্তা বেরি কেট সহ অবরোধ ও হরতাল করেন।এছাড়া
রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তিনি এলাকায় উন্নয়ন ও শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার উদ্যোগে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় রাস্তাঘাট, সেতু, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তিনি মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং সভাপতি সহ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ছিলেন এবং পরে ঢাকার তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন; সে সময় পাক সেনারা তার বাড়িঘর জালিয়ে দেয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আধুনিক উপজেলা বিনির্মানের জন্য সরকারি ভাবে বিদেশ সফরেও অংশ নেন। ১৯৮৮ সালে স্থানীয় সরকার পর্যবেক্ষণ সফরে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে প্রতিনিধি হিসেবে ১ মাসের জন্য ইন্দোনেশিয়া গমন করেন,এছাড়া থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর সফর করেন।
রাজনৈতিক জীবনের সূচনায় তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে ১৯৭৮ সালে জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন। তৎকালিন সময়ে বিএনপিতে যোগ দেন। পরবর্তীতে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে আছেন।এবিষয়ে বিএনপির সিঃ এই নেতা
বলেন, “জনগণের ভালোবাসাই আমার শক্তি। বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নীতি-আদর্শ প্রতিষ্ঠা ও বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়াকে আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা আমার অঙ্গীকার।”তিনি আরো জানান ২০১৪ সালে স্বৈরাচারী হাসিনার আমলে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহন করিলে বিএনপি থেকে তাকে দালীয় প্রার্থী ঘোষনা করা হয়।ঐ সময়ে দেশে বিরোধী মতাদর্শের উপর দমনপীড়ন সত্বেও তিনি সাহসীকতার সহিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করেন। নির্বাচনের দিন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা জোরপূর্বক কেন্দ্র দখল করা সত্বেও তিনি বিপুল ভোটে এগিয়ে থাকলে তৎকালীন উপজেলা কন্টোল রোমে রেজাল্ট পাল্টিয়ে অল্প ভোটের ব্যাবধানে আওয়ামী প্রার্থী কে বিজয়ী ঘোষণা করেন। বিষটি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বিশেষ সহকারীর মাধ্যমে সাক্ষাৎ করে ফলাফল দেখান, ঐ সময়ে তিনি আশ্বাস দেন যথাসময়ে আপনাকে মূল্যায়ণ করা হবে।