শ্রী ভজন কুমার বনিক আজীবন একজন মানবতাবাদী মানুষ। অত্যন্ত কর্মঠ এই প্রাণবন্ত মানুষটি পেশাগত কাজ ও পারিবারিক দায়িত্ব সম্পাদনের পাশাপাশি মানবসেবায় সবসময় নিজেকে পরিব্যাপ্ত রাখেন। তিনি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'র জোবিঅ-নরসিংদী কার্যালয়ে সহকারী কারিগরি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।
তার দ্বায়িত্বশীল কর্মকাণ্ড সকলের নিকট অতি প্রশংসনীয়। তিতাস গ্যাসের মতো ব্যাস্ত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা হয়েও তিনি সদা হাস্যোজ্জ্বল মুখে সকল ক্লান্তি পেছনে ফেলে কর্মবীরের মতো কাজ করে যাচ্ছেন। অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নানা সময়ে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে দিয়েছেন দক্ষতার পরিচয়।
শ্রী ভজন কুমার বনিক নরসিংদী জেলার জিনারদী এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম অনাথ বণিক। সাত ভাই দুই বোনের মধ্যে সবার বড় ভজন কুমার বনিক।বাংলাদেশের নরসিংদী জেলা শহরের পশ্চিম প্রান্তে পলাশ উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে জিনারদী রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন গয়েশপুর পদ্মলোচন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন এবং পরবর্তীতে নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। পারিবারিক জীবনে তিন সন্তানের জনক শ্রী ভজন বনিক বিয়ে করেছেন মনিকা রানী বণিককে। ভজন বনিক ও মনিকা বণিক দম্পত্তির দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে সাজানো সুখের সংসার। স্ত্রী মনিকা বনিক আবাসন ব্যবসায় ব্যস্ত সময় কাটান। ভজন বনিক কর্মজীবনের পাশাপাশি ধর্মচর্চায়ও বাকি সময় নিয়োজিত থাকেন।হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতবাদ অনুসারী হিসেবে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ বা ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনসাসনেস (ইসকন) এর একজন সেবক তিনি।
সুসংবদ্ধভাবে ভগবত্তত্ত্বজ্ঞান প্রচার,মানুষকে পারমার্থিক জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে ও প্রচারের মাধ্যমে মানুষকে আধ্যাত্মিক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন ভজন বনিক। তিনি শ্রী কৃষ্ণের প্রতি ভক্তির উপর জোর দিয়ে এবং তাঁর নাম জপ করে পারমার্থিক জীবনযাপন সচেষ্ট রয়েছেন। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'তে তার মতো ন্যায়পরায়ণ নিষ্ঠাবান ও সৎ কর্মঠ কর্মকর্তা খুবই বিরল।
তার সহকর্মীরা জানান, সহজ সরল শান্ত প্রকৃতির এই লোকটি আমাদের সহকর্মী এটা ভাবতেই আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়, ভজন বণিকের মত সহকর্মী পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার, আমরা তাকে নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট।